সোমবার, ১৫ Jul ২০১৯, ০১:৩২ অপরাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার।

হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার।

♥ ঐতিহ্যের বেগমআম্মা… সৈয়দা হোসনে আরা বেগম।
১৯৭৫ সাল ছিল জাতিসংঘের নারী অধিকার দশক।জাতিসংঘের এই স্বীকৃতিই নারীকে দেশে দেশে পরিচিত লাভ করার ক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে যায়। নারী তোমার জন্য… “নতুন প্রাণের স্পন্দনে পৃথিবীকে আলোড়িত কর তুমি। মানব সভ্যতাকে নিজস্ব কক্ষপথে চলার চিরন্তন প্রক্রিয়া রচিত হয় তোমার কল্যাণেই। কর্ম উদ্দীপনা দিয়ে পুরুষের সাফল্য নিশ্চিত করার গুরুভারটিও তোমার। আবার তোমার মাঝেই বসতগড়ে শরফুন্নিসা (নবাব আলিবর্দী খানের সহধর্মিনী ),আমিনা বেগম (নবাব হাশেম জায়েন উদ্দিনের সহধর্মিনী),বেগম লুৎফুন্নিসা(নবাব সিরাজউদ্দৌলার সহধর্মিনী), গুলশান আরা বেগম (ঐতিহ্যবাহী বেগম লুৎফুন্নিসা পরিবারের ৭ম বংশধর), সৈয়দা হোসনে আরা বেগম (ঐতিহ্যবাহী বেগম লুৎফুন্নিসা পরিবারের ৮ম বংশধর), রানী ভবানী (সমাজসেবক),মাদার তেরেসা(সমাজসেবক),লতা মঙ্গেসকর(সংগীতশিল্পি),রাবড়ি দেবি (সমাজসেবক),ক্রিস্টিনা ফার্নান্ডেজ (সমাজসেবক),সাংবাদিক বিউটি আকতার (সম্পাদক-ইনচার্জ – নারী ও আমার জীবন, দৈনিক আমার দেশ),সাংবাদিক ফারহানা নীলা (মোহনা টেলিভিশন), মত মহিয়সীরা যারা নিজেদের কর্ম দিয়ে পৃথিবীর বুকে রেখে গেছেন সফলতার স্বাক্ষর। এক জীবনে এতগুলো ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া ও সৎ সাহসের সঙ্গে ভূমিকাগুলো পালন করা কেবল তোমার পক্ষেই সম্ভব। তাই তুমি নারী এ তোমার অহঙ্কার। কুন্ঠিত চিত্তে নয় বরং বলিষ্ঠ কন্ঠে বল তোমার এ গর্ব গাঁথার কথা। জন্মের পর থেকেই বিচিত্র সব চরিত্র ধারণ করে পথ চলতে হয় নারীকে। নানামুখী সম্পর্কের আভরণেই সমৃদ্ধ হয় নারী জীবন। কিন্তু নারীর এ ভূমিকাগুলো হোচট খায় সমাজের ছকে বাধা নিয়মের বেড়াজালে। তবুও কন্যা, জায়া, জননীর মত নানা সম্পর্কের আভরণে নারী সব সময়ই অন্যন্যা,তাই অন্যরকম এক অভিবাদন নারী, শুধু তোমারই জন্য।” আমাদের এবারের আয়োজন ঐতিহ্যবাহি বেগম লুৎফুন্নিসা পরিবারের গর্বিত ৮ম প্রজন্ম সৈয়দা হোসনে আরা বেগমকে নিয়ে যিনি নিজের মেধা ও মননকে কাজে লাগিয়ে ঐতিহ্যের সৌরভ ছড়াচ্ছেন বাংলার সকল প্রাণে। তাঁর কথা জানাচ্ছেনবাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরিবারের ঐতিহ্যের ৯ম সৌরভ… সৈয়দ গোলাম আব্বাস আরেব ওরফে নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা।

অল্প সল্প গল্প
নাম : সৈয়দা হোসনে আরা বেগম।
 জন্ম তারিখ : ১৯ মার্চ।
পিতার নাম : ডাক্তার সৈয়দ নাসির আলী মির্জা।
মাতার নাম : গুলশান আরা বেগম।
 স্বামীর নাম : প্রকৌশলি এস. জি. মোস্তফা। (নবাব সিরাজউদ্দৌলার ৮ম বংশধর)
প্রিয় খাবার : হালাল সব খাদ্য।
প্রিয় পোশাক : শাড়ি।
প্রিয় চলচ্চিত্র : ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’, ‘বর্গী এলো দেশে’ এবং নিকাহ (সালমা আগা ও রাজ বাব্বার অভিনীত)।
প্রিয় সংগীত : নিকাহ ফিল্মের সব শ্রুতি মধুর গান।
প্রিয় মানুষ : আমার ছেলে নবাবজাদা আব্বাস আরেব।
 অবসর কাটে যেভাবে : পরিবারের সাথে।
প্রিয় মুহূর্ত : ভোর বেলা। নামাজ পড়া; কোরআন শরীফ পড়া, এতে মনো শান্তি পাই। আর প্রকৃতি ও আপনজনের সেবায় কাটানো মুহূর্তগুলো বেশ উপভোগ করি।
প্রিয় উক্তি : সদা সত্য কথা বলো, সত্যের পথে চলো।
নিজেকে বিশ্লেষণ করেন যেভাবে : সবকিছুকে বেশি মাত্রায় সরল ভাবা।
সাফল্যের সংজ্ঞা : সততা আর পরিশ্রম।
 আপনি নবাব সিরাজউদ্দৌলার সহধর্মিনী বেগম লুৎফন্নিসা পরিবারের কত তম প্রজন্ম : ৮ম।
ভালো রাধুনী হতে চাইলে যে ৩টি গুণ ভীষণ জরুরি : রান্নার ধৈর্য্য, যতœ নিয়ে রান্না করার ইচ্ছা, আর সময় দেওয়ার সদিচ্ছা।
সুযোগ মিললে যাকে সবার আগে নিজের রান্না খাওয়াতে চান :বাংলার দরিদ্র মানুষদের।
 আপনার প্রিয় রান্নার উপাদান : তাজা শাক-সব্জি।
 আপনি নিজে যাঁর রান্নার ভক্ত : আমার আম্মা গুলশান আরা বেগম।
যাঁর হাতে প্রথম হাতে খড়ি : আম্মার হাতে।
প্রথম বিদেশ সফর : নবাবআলিবর্দী খান ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার দেশইন্ডিয়া।
 যে রান্নাটি সবচেয়ে কঠিন মনে হয় : দেশি বিদেশি কোন রান্নাই কঠিন মনে হয় না।
প্রিয় স্বাদ : ঐতিহ্যবাহীটক, ঝাল, মিষ্টি তিনটিই।
প্রিয় মুখ : নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রিয়তমা সহধর্মিনী বেগম লুৎফুন্নিসা এবং আমার আম্মা গুলশান আরা বেগম।
নিজের যে দিকটি বদলাতে চান : মানসিক ভাবে আরও কঠিন হতে চাই, কিন্তু পারি না।
বাংলার ঐতিহ্যবাহি নবাব পরিবারের গৃহ বধূর কাছে উক্ত পরিবারের কিছু প্রিয় পদ ও গল্প কথা জানতে আগ্রহি আজকের নতুন প্রজন্ম : বাংলার ঐতিহ্যবাহি বেগম লুৎফুন্নিসা ও নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরিবারের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ‘নবাবীখানা’। একবার যিনি খেয়েছেন জীবনে ভুলবেন না। বিশেষ করে নবাবী কাবাব স্বাদে অতুলনীয়। নবাবী খানা তৈরির জন্য যে সাজসরঞ্জাম এবং প্রশস্ত জায়গার প্রয়োজন তা ১০০ ভাগ নিখুঁত হওয়া চাই। সিরাজ পরিবারের প্রিয় অনেক ধরনের নবাবী কাবাব আছে, তার মধ্যে দু’তিনটি স্বাদে অসাধারণ। যা এখনও নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরিবারের ঐতিহ্যের প্রতীক। একটি হলো ‘শাহি কাবাব’ ২য়টি ‘নবাবি কাবাব’। নবাব আলিবর্দী ও নবাব সিরাজউদ্দৌলা আমলে গরুর মাংস দিয়ে ‘শিক কাবাব’ খুব জনপ্রিয় ছিল। এরপরে ভেড়ার মাংস কুচি কুচি করে কিমা তৈরি করে ‘নবাবী কাবাব’ এলো। সেকালের নবাবী খানা তৈরি করতে প্রায় ১০০ রকমের মশলা লাগে এবং ১টি পদ রান্নায় সময় যায় কয়েক ঘন্টা। নবাব আলিবর্দী ও নবাব সিরাজউদ্দৌলা আমলের আর ১টি বিখ্যাত খাবার ‘নবাবি নামশ’। সুগন্ধী ঘন দুধের ওপরে জাফরান এবং কাজু, কিসমিস, আখরোট, মধু এবং সর্বোপরি রূপোলি তবকে মোড়া অনির্বচনীয় স্বাদ যেন অমৃত। মিষ্টির মধ্যে ‘ ‘নবাবি কুলফি’ আর একটি অনবদ্য জিনিস। সুগন্ধী মিঠে পান নবাব আলিবর্দী খান ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার আর ১টি বিখ্যাত ঐতিহ্যের প্রতীক। সিরাজ পরিবার এখনও সেই সব নবাবী ঐতিহ্য ধরে রাখার ব্যাপারে খুবই একনিষ্ঠ।
নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরিবারের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে আজও এই পরিবারের নতুন প্রজন্মরা যথেষ্ট যতœশীল। তাইতো এই পরিবারের সদস্যদের আচার আচরণ কথা বলার ভঙ্গি এতটাই সুন্দর যে, যে কারো দৃষ্টি সহজেই আকর্ষিত হয়। আমাদের এই ঐতিহ্যবাহি পরিবারের আদব কায়দায় নবাবী আচার-ব্যবাহারের সব রকম সৌরভ ও শিল্পরুচির প্রকাশ পায়।
সিরাজ পরিবারের ঐতিহ্য চারু কারু শিল্প, স্বচ্ছ যে কোন বস্ত্রের উপর নিখুঁত হাতের কাজ এক কথায় অনবদ্য। চিকনকারী মূলত হাতের কাজ, এক একটি শাড়ী এবং কুর্তা পায়জামায় ভরাট চিকনের কাজ করতে কম করে সময় লাগে ৬/৭ মাস। এ কাজে নবাব পরিবারের নারীরা অত্যন্ত পারদর্শী।
নবাব আলিবর্দী খান ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার পছন্দের কয়েকটি পদ… নাওয়াবী শাহী চাঁদনী- এই ডিশটি আমাদের নবাব পরিবারে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই নবাবী খানা নবাব আলিবর্দী খান-নবাব সিরাজউদ্দৌলা খেতেন পূর্ণ চাঁদের রাতে দুগ্ধ সফেন পাত্রে।
নাওয়াবী শাহী স্যুপ- ঘনদুধ, পেস্তা বাদাম এবং হোয়াইট সসের মিশ্রণে তৈরি হয় এটি।
নাওয়াবী শাহী ক্ষীর- ঘন দুধের মধ্যে সুগন্ধী সরুচাল, কাজু, কিসমিস, পেস্তা সামান্য মাখন এবং সুগন্ধীর জন্য ঈষৎ আতর ব্যবহার করা হয়। এটি অনেকটা পায়েসের মতো।
নাওয়াবী শাহী কাবাবে আফতাবি- কুচানো চিজ, আলু সেদ্ধ, ডিম, চিজসসস এবং দারুন সুগন্ধী কিছু মশলা দিয়ে এই কাবাব তৈরি করতে হয়। চুলোর আঁচ খুব অল্প থাকে। সঙ্গে পুদিনার চাটনি দিয়ে পরিবেশন করতে হয়।
নাওয়াবী শাহী মুর্গ লাজিজ- ১টি আস্ত মুরগী আদা এবং রসুন বাটা দিয়ে ঘন করে মাখিয়ে কিছুক্ষণ রাখতে হয়। রান্নার পরে কাজু বাদাম কুচি, নারিকেল কুচি দিয়ে, উপরে সুদৃশ্য রূপালি তবকের সাহায্যে পরিবেশন করা হয়।
এই হলো আমাদের ঐতিহ্যবাহি বেগম লুৎফুন্নিসা ও নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরিবারের আদাব, প্রিয়পদ-এর সৌন্দর্য এবং ঐতিহ্য। পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহি এই পরিবারের পছন্দের কিছু মেন্যু আপনাদের বিস্তারিত বলতে চাই…
নাওয়াবী শাহী তরমুজের শরবত- চার বাটি তরমুজ, ১ কাপ চিনি, ৪/৫ টি কাগজী লেবু পাতা। তরমুজের লাল অংশটি সুন্দর করে কেটে ব্লেন্ডারে দিতে হবে, সাথে সামান্য পানি এবং চিনি দিলে ভালো হয়। তৈরি কৃত শরবতে কিছুক্ষণ লেবু পাতা ডুবিয়ে রাখার পর, পাতাগুলো তুলে নিতে হয়। আর এর পরেই নবাব পরিবারের আপনজনদের জন্য পরিবেশন করা হয় ঠান্ডা তরমুজের শরবত।
নাওয়াবী শাহী কাঁচা আমের শরবত- কাঁচা আম-৪টি, চিনি-৪ টেবিল চামচ, লবন- পরিমান মত, জিরা ভাজা গুড়া- আধা চা চামচ, মরিচ ভাজা গুঁড়া- আধা চা চামচ, পানি-১ কাপ। কাঁচা আম ফালি করে কেটে সিদ্ধ করে নিতে হয়। সিদ্ধ আম লবণ চিনি জিরা ভাজা গুড়া মরিচ আর পানি একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করার পর বরফ কুচি দিয়ে নবাব পরিবারের আপনজনদের সামনে পরিবেশন করা হয়।
নাওয়াবী শাহী আমের রায়তা- কাঁচা পাকা আম-৬টা, দই-২ টেবিল চামচ, লবন পরিমান মত, জিরা ভাজা গুঁড়া- আধা চা চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি-১ চা চামচ, ধনে পাতা কুচি- সামান্য, সাদা সরিষার গুঁড়া আধা চা চামচ। এবার আম পাতলা সøাইস করে কেটে, একটা পাত্রে দই লবন ফেটে নিতে হবে। তারপর আমের সøাইস কাঁচা মরিচ কুচি পরিবেশন পাত্রে নিয়ে সাদা সরিষা গুঁড়া ও জিরা ভাজা গুঁড়া ছিটিয়ে পরিবেশন করে থাকি।
নাওয়াবী শাহী আমের মিষ্টি আচার- কাঁচা আম- ৮টা, হলুদ গুঁড়া- ১চা চামচ, লবণ পরিমান মত মরিচের গুঁড়া-১চা চামচ, আখের গুঁড়া-১ চা চামচ, পাঁচফোড়ন-১ চা চামচ, চিনি পরিমান মত। কাঁচা আম শক্ত দেখে বেছে নিয়ে কুরিয়ে নিতে হয়। কোরানো আম হলুদ মাখিয়ে… চুলায় সরিষার তেল গরম হলে পাঁচফোড়ন, আখের গুড়, আম কোরানো, মরিচের গুঁড়া ও লবণ দিতে হয়। ৮/১০ মিনিট জ্বাল করে প্রিয়জনদের পরিবেশনের উপযোগি হয়ে যায়।
নাওয়াবী শাহী ফিশ স্যুপ- নবাব পরিবারের আপনজনদের পছন্দের মাছ নির্ধারণের পর, কাঁটা ছাড়া মাছের টুকরা ২৫০ গ্রাম, চিংড়ি মাছ ১০০ গ্রাম, কচি লেটুস পাতা ৪/৫ টি, ধনে পাতা ১ আঁটি, পিঁয়াজ পাতার গাছ ২টি, সয়াসস ১টি-চা, গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, স্বাদ নুন ১টা-চামচ, লবন। এবার দেড় লিটার পানিতে মাছের কাঁটা ও চামড়া দিয়ে সিদ্ধ করতে হবে। পানি ১লি হলে নামিয়ে ছেঁকে নিতে হয়। তৈরি হলো মাছের স্টক। চিংড়ি ছোট করে কেটে ধুয়ে ফেলতে হবে। মাছের স্টক হাঁড়িতে করে চূলায় চাপিয়ে ফেললাম। স্টক টগবগ করে ফুটতে শুরু করলে মাছ পিঁয়াজ পাতা, সয়াসস, লবণ, গোলমরিচ গুঁড়া ও ১ চা চামচ তেল দিলাম। লেটুস পাতা ধুয়ে মিহি করে কুচিয়ে রাখলাম। প্রতিটি স্যুপের বাটিতে ২ টে চামচ করে লেটুস পাতা কুচি দিলাম। আর স্যুপ রান্না শেষে প্রিয় পরিবারের আপনজনের বাটিতে স্যুপ ঢেলে ধনে ও পিয়াজ পাতা কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করলাম।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com