সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ০৬:৩১ অপরাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
চ্যারিটেবল মামলায় খালেদার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ ।

চ্যারিটেবল মামলায় খালেদার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ ।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে আপিল ও জামিন চেয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আপিল আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে এই মামলায় নিম্ন আদালতের নথি তলব করেছেন আদালত। এ ছাড়াও আগামী দুই মাসের মধ্যে নথি উচ্চ আদালতে প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।

আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আর দুদকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন খুরশীদ আলম। অপরদিকে আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

গত  ২০১৮ সালের  ২৬ নভেম্বর নিম্ন আদালতে সাত বছরের সাজার বিরুদ্ধে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি জমা দেন তাঁর আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। আবেদনটিতে মূল আপিলসহ সাতশরও বেশি পৃষ্ঠার নথিপত্র রয়েছে।

এর আগে একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতের বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। এই মামলার অপর তিন আসামিকেও একই দণ্ডাদেশ দেন আদালত।

এই মামলার অন্য তিন আসামি হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। এদের মধ্যে হারিছ চৌধুরী পলাতক রয়েছেন। বাকি দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত ওই তিনজনকেও অভিন্ন সাজা দিয়েছেন।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দিয়েছিলেন আদালত। পরে গত ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট এই মামলায় সাজা বৃদ্ধি করে ১০ বছর করেন।

বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন আছেন কারাবন্দি খালেদা জিয়া।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com