শনিবার, ১৮ মে ২০১৯, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড খাদেম হত্যা ও একজনের যাবজ্জীবন ।

ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড খাদেম হত্যা ও একজনের যাবজ্জীবন ।

ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুল হক খাদেম ওরফে আনিস খাদেমকে হত্যার দায়ে ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক আবদুর রহমান সরদার রায় ঘোষণা করেন। ঘটনার দশ বছর পর এই রায়ের মাধ্যমে বিচারিক আদালত বিচার সম্পন্ন করলেন।

মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, শহিদুর রহমান খাদেম ওরফে শাহিদুর রহমান খাদেম ওরফে মিনু খাদেম ওরফে মামা খাদেম, মাহবুব আলম লিটন ওরফে দাতভাঙ্গা লিটন, শেখ শামীম আহম্মেদ, মো. জুয়েল, কামাল হোসেন বিপস্নব ও সোহেল ওরফে ক্যাটস আই সোহেল।

রায়ে আসামি আবদুল্লাহ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন বাবু ওরফে হোন্ডা বাবু ওরফে টিএন্ডটি বাবু ওরফে চুলা বাবু ওরফে টুইন্না বাব কে যাবজ্জীবন কারাদ্ল দেওয়া হয়। অপর আসামি আজগর হোসেন রানাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেছেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। তবে দ্ল কার্যকর করার আগে আইনানুয়ায়ী হাইকোর্টের অনুমোদন নিতে হবে।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে আমিনুল হক খাদেম ওরফে আনিস খাদেমকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ সন্দোহতীতভাবে প্রমান হয়েছে। আসামিরা নিজেরাও হত্যার দায় স্বীকার কওে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়া হয়েছে। আসামিদের স্বীকারোক্তি, ঘটনার পারিপার্শিকতা ও ঘটনার নির্মমতা বিবেচনা করে আসামিদের শাস্তি দেওয়া হলো।
আসামিদের মধ্যে লিটন, বিপ্লব ও বাবু পলাতক রয়েছেন। তারা গেপ্তার বা আদালতে আত্মসমর্পনের পর রায় কার্যকর হবে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৩ মে রাজধানীর মালিবাগের আহমদুলস্নাহ স্টেটের ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে ওই হোল্ডিংয়ের পশ্চিম পাশে পরিকল্পিতভাবে আমিনুল হক খাদেম ওরফে আনিস খাদেমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরের দিন তার ছেলে সাইদুল হক খাদেম রাজধানীর মতিঝিল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। আসামিদেও গ্রেপ্তার করার পর আট আসামি প্রত্যেকে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেন।

র‍্যাব-৩ ঘটনাটি তদন্ত করে ২০০৯ সালের ৩০ নভেম্বর আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। ২০১৪ সালের ৮ জুন আসামিদের দ্লবিধির ৩০২/৩৪/৩৭৯/৪১১ ধারায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় বিভিন্ন সময়ে ১৭ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com