রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
কলেজ অধিভুক্তির তিক্ত স্বাদ

কলেজ অধিভুক্তির তিক্ত স্বাদ

Exif_JPEG_420

রাজধানীর সাতটি কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়েছিল ২০১৭ সালে। এসব কলেজের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকোত্তর পর্বের চূড়ান্ত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল গত সোমবার কিন্তু হয়নি। কেন হয়নি তার কোনো ব্যাখ্যা পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ ক্যাম্পাস বা সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট—কোথাও না। আবার ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শেষ হয়েছে প্রায় সাত মাস আগে, এখনো ফল প্রকাশ করা হয়নি। কবে প্রকাশ করা হবে, তাও শিক্ষার্থীরা জানতে পারছে না।

২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও সরকারি বাঙলা কলেজকে অধিভুক্ত করা হয়। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের লক্ষাধিক শিক্ষার্থীকে পরিচালনার ভার পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর। সেশনজট দূর করা ও শিক্ষার মানোন্নয়নের উদ্দেশ্যে অধিভুক্ত করা হয়েছিল, তবে যথাযথ পরিকল্পনা ছাড়া। ফলে অধিভুক্তির দুই বছর পরও শিক্ষা কার্যক্রমে গতি নেই। অথচ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা অনেক এগিয়ে গেছে। আগে এ কলেজগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ছিল।

অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুই বছর পার হয়ে গেছে কিন্তু সুফল পাওয়া যাচ্ছে না, বরং ভোগান্তি বেড়েছে। বছর শেষে ঠিকমতো চূড়ান্ত পরীক্ষা হচ্ছে না, ফল প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে, মানোন্নয়নের বিষয়ে অগ্রগতি নেই। ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতা প্রকট। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে গেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ অবস্থা থেকে নিষ্কৃতি পেতে পাঁচ দফা দাবি নিয়ে মঙ্গলবার আন্দোলনে নামে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। গতকাল সকাল ১১টায় নীলক্ষেত মোড়ে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু করে তারা।

শিক্ষার্থীদের পাঁচটি দাবি হলো—১. পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ ২. পরীক্ষায় গণহারে অকৃতকার্য হওয়ার কারণ প্রকাশ ও খাতা পুনর্মূল্যায়ন ৩. কলেজ পরিচালনার জন্য স্বতন্ত্র প্রশাসনিক ভবন ৪. কলেজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দিয়ে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা ৫. সেশনজট নিরসনে জরুরি কর্মসূচি চালু করা। শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত থেকেই সমস্যার সমাধান চায়। কারণ অধিভুক্তি বাতিল করলে সমস্যা আরো বাড়বে বলে তাদের আশঙ্কা।

শিক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠু করতে ও শিক্ষার মান বাড়াতে অধিভুক্তি করা হয়েছিল। কিন্তু তথ্য আদান-প্রদানে জটিলতা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বন্দ্ব, পরিকল্পনাহীনতা, প্রশ্নপত্র তৈরি ও খাতা মূল্যায়নে সমন্বয়হীনতা ইত্যাদি কারণে উদ্দেশ্য ব্যর্থ হতে চলেছে। শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ সংগত। তবে ক্ষোভ যাতে আর না বাড়ে, তাদের ভবিষ্যৎ যাতে পরিচ্ছন্ন হয় সেই লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দ্রুত উদ্যোগী হতে হবে। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিছু ‘জটিলতা’ রয়েছে স্বীকার করে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে শিক্ষার্থীদের। প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কর্তৃপক্ষ আন্তরিকতার পরিচয় দেবে বলে আমরা আশা করি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com