বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৯, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
নিখোঁজের ১২ দিনেও উদ্ধার হয়নি পাট ব্যবসায়ী

নিখোঁজের ১২ দিনেও উদ্ধার হয়নি পাট ব্যবসায়ী

সালথা ফরিদপুর প্রতিনিধিঃফরিদপুরের সালথা উপজেলার রামকান্তুপুর ইউনিয়নের নারানদিয়া গ্রামের পাট ব্যবসায়ী মোঃ আজিজুর শরীফ নিখোঁজের ১২ দিনেও উদ্ধার হয়নি। নিখোঁজ পাট ব্যবসায়ী নারানদিয়া গ্রামের সৈয়দ আলী শরীফের ছেলে। পাশ্ববর্তী উপজেলা বোয়ালমারীর ময়েনদিয়া বাজারে একটি ঘরে সে পাট কেনাবেচা করতো। নিখোঁজ হওয়ার কোন কারনই জানাতে পারেনি তার পরিবার।
গত শনিবার ৬ এপ্রিল সকাল থেকে আজিজুর শরীফ নিখোঁজ রয়েছে। তার ব্যবহিত মোবাইল ফোনও বন্ধ। আজিজুর শরীফের স্ত্রী শামচুন্নাহার জানান, প্রতিদিনের মতো আমার স্বামী সকালে ঘুম থেকে উঠে ময়েনদিয়া বাজারে যায়। সন্ধ্যা গড়িয়ে গভীর রাত হলে আমি তার মোবাইল ফোনে ফোন দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। এর পর থেকে আমি তার মোবাইলে ফোনে একাধিক বার ফোন করতে থাকি। পরের দিন থেকে আমার বিভিন্ন আত্বীয় বাড়ি বন্ধু- বান্ধাব এর বাড়ি খুজাখুজি করতে থাকি। কোন ভাবেই আমরা তার খোজ পাচ্ছি না। কি কারনে নিখোজ হতে পারেন এমন প্রশ্নের জবাবে শামচুন্নহার বলেন, আমার স্বামীর মধ্যে এমন কিছু লুকাইত ছিলো না, যে সে নিখোজ হতে পারে।
বড় ভাই মজিবুর শরীফ জানান, আজিজুর নিখোজ হওয়ার পরে গত ১২ এপ্রিল সালথা থানায় একটি সাধারন ডায়রি করা হয়েছে যার নাম্বার ৪৬৬ । তিনি আরও জানান, গত শনিবার ময়েনদিয়ার হাঁটবার ছিলো, বাজারে গিয়ে তার পাটের ঘর খোলার কথা থাকলেও সে ঘর খোলেনি। পাশ্ববর্তী ব্যবসায়ীরা এমনটাই জানিয়েছেন। স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ব্যবসা করতে গিয়ে নিখোজ আজিজুর শরীফ প্রচুর দেনা হয়ে গিয়েছিলেন। প্রতিদিনই পাওনাদাররা তার বাড়িতে আসতো। এই কারনেও সে গাঁ ঢাঁকা দিতে পারে বলে আমাদের ধারনা। গত ১২ দিনেও নিখোজ আজিজুর শরীফ উদ্ধার না হওয়ায় পরিবারের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, আজিজুর শরীফের পরিবার থানায় একটি জিডি করেছে। জিডির ভিত্তিতে আমরা আন্তরিকতার সহিত বিষয়টা তদন্ত করছি। তবে কি কারনে আজিজুর নিখোজ হতে পারে তার সঠিক কোন তথ্য দিতে পারছে না তার পরিবার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com