বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৯, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
খারাবি বাড়ছে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণ করুন

খারাবি বাড়ছে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণ করুন

দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাবনতিতে মানুষ উদ্বিগ্ন। গত দুই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো এ প্রশ্নকেই বড় করে তুলেছে বলে মনে হয়। গত রবিবার রাতে সাভারে এক কাঁচামাল ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। একই রাতে বগুড়ায় বিএনপির এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। যশোরের বাঘারপাড়ায় দেবরের ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন এক গৃহবধূ। ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের পানপাড়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদী থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর থানার হারুয়ালছড়িতে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। বান্দরবানে এক দল সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাসায় ঢুকে একজনকে হত্যা করেছে। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বখাটেদের ছুরিকাঘাতে এক যুবলীগ নেতা আহত হয়েছেন। পহেলা বৈশাখে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষিত হয়েছে পটিয়ার এক কিশোরী।

এসব ঘটনাকে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করার কোনো সুযোগ নেই। সমাজের বিভিন্ন্ন স্তরে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে, এসব ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ। যখন সামাজিক অনুশাসন বলতে কিছু থাকে না তখনই এসব ঘটনা ঘটতে থাকে। এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে হলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর যতটা সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন, তার কোনো প্রতিফলন কি দেখতে পাওয়া যায়? একেকটি ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর হয়তো কিছুদিন ঘটনাগুলো আলোচনায় থাকে। দুর্বৃত্তরা তাৎক্ষণিকভাবে ধরা পড়লেও একসময় আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে আসে। তারা আবার নতুন করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় শুধুই ভাড়াটে হিসেবে কাজ করে দুর্বৃত্তরা। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সবার আগে সক্রিয় হতে হবে। দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে সব এলাকায় চিরুনি অভিযান পরিচালনা এখন একান্ত আবশ্যক হয়ে পড়েছে। অন্যথায় তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হলে কিছুটা হলেও সামাজিক অপরাধের হার কমিয়ে আনা সম্ভব হতো। একই সঙ্গে অপরাধ দমনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণও প্রয়োজন। অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক দল ব্যবহার করবে না, তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে না—এমন একটি অঙ্গীকারও থাকা প্রয়োজন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আন্তরিকতা থাকলে সমাজ থেকে অপরাধমূলক সব কর্মকাণ্ড অল্পদিনেই কমিয়ে আনা সম্ভব। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com