মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
নির্মাণ রেলপথ রেকর্ড ব্যয়ের প্রস্তাব কেন

নির্মাণ রেলপথ রেকর্ড ব্যয়ের প্রস্তাব কেন

অতীতের গৌরবময় বাংলাদেশ রেলওয়ে যখন যাত্রীসাধারণের কাছে ক্রমেই স্মৃতি হয়ে যাচ্ছিল, তখন সরকারের ইতিবাচক ভূমিকা রেলওয়েকে নিয়ে নতুন করে আশার সঞ্চার করে। বন্ধ হয়ে যাওয়া পুরনো রেলপথ ও স্টেশন নতুন করে চালু করার পাশাপাশি নতুন নতুন রেলপথ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার আগে গঠন করা হয় পৃথক মন্ত্রণালয়। ব্রিটিশ আমলে এ দেশে চালু হয় রেলপথ। যাত্রীদের কাছে বিকল্প নয়, ভ্রমণের প্রথম পছন্দ হবে-এমনটাই আশা করা হয়েছিল। রেলওয়ের আধুনিকায়নে সরকার নানা ব্যবস্থা নিয়েছে। পুরনো বগি ও ইঞ্জিন বদলে ফেলে নতুন বগি ও ইঞ্জিন সংযোজন করা হচ্ছে। অনেক মিটার গেজ লাইনকে ডুয়াল গেজ লাইনে রূপান্তরিত করা হচ্ছে। নতুন রেলপথ নির্মাণের মাধ্যমে যাত্রীসাধারণের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। মিটার গেজ রেলপথকে ডুয়াল গেজে রূপান্তরিত করতে গিয়েই দেখা যাচ্ছে, এক প্রকল্পের ব্যয়ের সঙ্গে আরেক প্রকল্পের ব্যয়ের কোনো মিল নেই।

সময়ের কণ্ঠে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থেকে সিলেট পর্যন্ত বিদ্যমান মিটার গেজ লাইনকে ২৩৯ কিলোমিটার ডুয়াল গেজে রূপান্তরিত করতে কিলোমিটারপ্রতি যে ব্যয় ধরা হয়েছে, তা একই ধরনের অন্য প্রকল্পগুলোর চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। এমনকি একনেক সভা থেকে এই প্রকল্প প্রস্তাব একবার ফেরত পাঠানো হলেও নতুন করে আবার পুরনো ব্যয় প্রাক্কলন করেই তা পাঠানো হচ্ছে একনেকে। হয়তো আগামী সভায়ই তা উত্থাপিত হবে। সময়ের কণ্ঠে প্রকাশিত খবরে চলমান অন্যান্য প্রকল্পের ব্যয়ও উল্লেখ করা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, আখাউড়া থেকে লাকসাম পর্যন্ত বিদ্যমান মিটার গেজকে ডুয়াল গেজে রূপান্তরিত করতে প্রতি কিলোমিটারে খরচ হচ্ছে ২৫ কোটি টাকা। ঈশ্বরদী থেকে ঢালারচর পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণে কিলোমিটারপ্রতি খরচ হচ্ছে সাত কোটি টাকা। মধুখালী থেকে কামারখালী হয়ে মাগুরা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণে কিলোমিটারপ্রতি খরচ হচ্ছে ১৪ কোটি টাকা। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সেকশনে মিটার গেজ লাইনের সমান্তরাল একটি ডুয়াল গেজ লাইন নির্মাণে প্রতি কিলোমিটারে খরচ হচ্ছে ৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে প্রস্তাবিত আখাউড়া-সিলেট রেললাইন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রতি কিলোমিটারে ৫৭ কোটি টাকা। এই বিপুল খরচের পক্ষে যুক্তিও তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া প্রস্তাবিত এই রেলপথের জন্য যে ঋণ নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। প্রশ্ন আছে প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগ নিয়েও।

আমরা মনে করি, নতুন করে এই প্রকল্প নিয়ে ভাবতে হবে। আশা করি, সংশ্লিষ্ট মহল প্রকল্প অনুমোদনের আগে ব্যয় নিয়ে ভাববে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com