বৃহস্পতিবার, ২৭ Jun ২০১৯, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
সালথায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বাড়িঘর ভাংচুর লুটপাট- বাড়ি ছাড়া পরাজিত নৌকার সমর্থকেরা

সালথায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বাড়িঘর ভাংচুর লুটপাট- বাড়ি ছাড়া পরাজিত নৌকার সমর্থকেরা

ফরিদপুর প্রতিনিধিঃফরিদপুরের সালথায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট বাড়ি ছাড়া পরাজিত নৌকার সর্মকেরা। গত ১৮ মার্চ ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বীতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হয় সালথা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে দেশের বৃহত্তর বিরোধী দল বিএনপি অংশ না নেওয়ায় আওয়ামীলীগের মধ্যেই সব প্রার্থী হয়। আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে নৌকা প্রতিক দেওয়া হয় দলীয় প্রার্থীদের। কিন্তু সালথা উপজেলায় স্থানীয় এমপি ও জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ উপনেতার রাজনৈতিক প্রতিনিধি ও তার কনিষ্ট পুত্র শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী নৌকা প্রতিকের প্রার্থীর সমর্থন না দিয়ে তিনি সতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতিকের প্রার্থীকে সমর্থন দেন। লাবু চৌধুরীর সতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতিকের প্রতি সমর্থন দেওয়ার ও অনেক কারন রয়েছে। সেটা হল নৌকা প্রতিকের যে প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল সে উপজেলার জনগন বিছিন্ন নেতা ছিলেন, বিতর্কিত ছিলেন, সে কারনেই স্থানীয় এমপির রাজনৈতিক প্রতিনিধি তাকে সমর্থন দেয়নি। আর তারই প্রতিফলনে সতন্ত্র প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। কিন্তু নির্বাচন পরবর্তী সহিংতায় বিভিন্ন স্থানে নৌকার সমর্থকদের উপর হামলা হয়েছে, বাড়ি ঘর ভাংচুর হয়েছে। মারের ভয়ে বাড়ি ঘরে ডুকতে পারছে না অনেকেই। উপজেলার রামকান্তুপুর ইউনিয়নের রামকান্তুপুর গ্রামে নির্বাচনের পরের দিন নৌকার সমর্থক ও ঐ ইউনিয়নের ইউপি মহিলা সংরক্ষিত আসনের সদস্যের স্বামী মোঃ কাইয়ুম মোল্যা ও তার বাবাকে মেরে গুরুত্বর আহত করে। পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এবং মারের পরে যখন তারা হাসপাতালে ভর্তি তখন আবার তাদের বাড়ি ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। অপরদিকে ভাওয়াল ইউনিয়নের পুরুরা গ্রামে নৌকার সমর্থকদের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায়। এবং অনেকেই অভিযোগ করে বলছেন, আমরা বাড়িতে যেতে পারছি না, আমাদেরকে জীবন নাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। প্রায় অর্ধশতকের ও বেশি লোকজন বাড়িতে যেতে পারছে না। পুরুরা গ্রামের ইকরাম ও আলমগীর বলেন, আমরা নির্বাচনের পরের দিন থেকে বাড়ি ছাড়া বাড়ির মহিলারা ফোনে বলছে তারা যেন বাড়িতে না যায় গেলে হাত পা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হবে। আমরা বৌ, বাচ্চা রেখে সংসারের বাহিরে বাহিরে ঘুরে বেড়াচ্ছি। অপর দিকে স্থানীয় দুএকজন নেতা চাঁদা দাবি করছে চাঁদার টাকা দিতে পারলে বাড়িতে আসবি না পারলে আসবি না। ভুক্তভোগিরা মনে করছে প্রশাসনের দৃষ্টি দেওয়া জরুরী। না হলে এর থেকে এলাকায় ভয়াবহ রুপ নিতে পারে স্থানীয় জনগনের মধ্যে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com