শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
দোল পুর্নিমা হোলি উৎসব এবং শ্রী গৌর পুর্নিমা কি??    

দোল পুর্নিমা হোলি উৎসব এবং শ্রী গৌর পুর্নিমা কি??    

নওগাঁ জেলা-যুগান্তর

স্বপন কুমার রায় খুলনা জেলা প্রতিনিধিঃআজ থেকে প্রায় পাচহাজার বছর আগে বৃন্দাবন লীলায় ব্রজবাসীগন পরমেশ্ব  ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তার অন্তরঙ্গা শক্তি রাধা রনীকে একত্রে পেয়ে সীমাহীন আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে তাদের চরনে আবির ঢেলে রন্জিত করে দেন।ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং রাধারানী ও এ আনন্দ উৎসবে মেতে উঠেন।কিন্তু ঐ দিনটি ছিল ফাল্গুন মাসের পুর্নিমা তিথি।ঐ দিনটিতে এতোটায় আনন্দ উৎসব হয় যে পরবর্তীতে বৃন্দাবনবাসীরা আর ঐ দিনটিকে ভুলতে পারেননি।আজ ও মানষ পালন করে চলেছে।এইদিনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আর রাধারানীকে বৃন্দাবন বাসীরা প্রেমানন্দে োলনায় দোল দিয়েছিল বলে এই উৎসবটিকে দোল উৎসব ও বলা হয়।আর ফাল্গুন এই পুর্নিমাকে বলা হয় দোল পুর্নিমা।এই উৎসবটি পরবর্তিতে সর্বত্রে ছড়িয়ে পড়ে।এই উৎসবটি পরে হোলি নামে খ্যাতি পায়।ধরে নেওয়া হয় অত্যাচারী রাজার হিরন্যকশিপুর দানবী বোন হোলিকা থেকে এই নামের উৎপতি।সকল প্রকার দানবীর ধ্বংযর্গের বিরুদ্ধে জয় লাভের প্রতিকই হলো এই রঙ্গিন আনন্দ উৎসব।এখন সমগ্র বিশ্বের মানুষ আজ এই উৎসব পালন করছে,কেউ বলছে ফেষ্টিভাল অফ কালারস।এবার জানাযাক গৌর পুর্নমার কথা শ্রীগৌর সুন্দর হলেন কলিযুগের সাক্ষাৎ কৃষ্ণ অবতার।কলির অধঃপতিত জীবদের করুনা করতে তিনি আবির্ভুত হলেন শ্রীধাম নবদ্বীপে।কিন্তু সবাই কে অবাক করে দিয়ে তিনি বেছে নিলেন ইংরাজী ১৪৮৬ সালের ফাল্গুন মাসের এই পুর্নিমা তিথি তথা দোল পুর্নিমার এই পুন্য তিথিকে।যেন আনন্দ উৎসবে এক নুতন মাত্রা যোগ করলেন।আর সবচেয়ে অবাক করা বিষয় টি হচ্ছে ঐদিন সন্ধ্যায়  মহাপ্রভুর আবির্ভাবের সময় হঠাৎ করে চন্দ্র গ্রহন শুরু হয়ে যায় অর্থাৎ পুর্নমার মাঝে চন্দ্র গ্রহন যাকে বলা হয় eclipse of full moon যা জোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল একটি সন্দিক্ষণ।শতবছরে একদুবার খুবই অল্প সময়ের জন্য এই সন্দিক্ষণ গুলো আসে।তাই মহাপ্রভুর জন্মের এই সময় কে বলাহয় Auspicious সময়।এই রহস্যময় সময়ই দিকবিদিক আলো করে উলুধ্বনি আর শঙ্খনাদের গর্জনে শচীমাতা আর জগন্নাথ  মিশ্রের ঘরে আবির্ভুত হলেনশ্রীম্মন মহাপ্রভু।সুতরাং যে ফাগ্লুনী পুর্নিমা তিথিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তার রাধারানী এবং বিন্দাবন বাসীর সাথে আনন্দ উৎসব করলেন সেই ফাল্গুনী তিথিতেই আবার শ্রী গৌর রুপে পুনরায় আবির্ভিত হয়ে কৃষ্ণ নাম প্রচার করলেন।তাই এই পবিত্র তিথি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের।এই দিনই সকল কৃষ্ণ ভক্ত মানুষের নয়নের মনি শচীন্দ শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর আবির্ভাব তিথি।যে কারনেই আজকের এই পুন্য তিথিটি সকল বৈষ্ণব তথা সকল সকল কৃষ্ণ ভক্ত মানুষদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন একটি দিন।আসুন সবাই আবির ছুয়ে দেখি,রাধা গোবিন্দের শ্রী চরনে আবিরে নিজেদের রন্জিত করি আর সেই সাথে গৌর বন্দনা করে হই পুলকিত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com