শুক্রবার, ১৪ Jun ২০১৯, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
কথা রাখেননি ড্রাইভার খেলোয়াড়রা বাস পেছাতে বললেও 

কথা রাখেননি ড্রাইভার খেলোয়াড়রা বাস পেছাতে বললেও 

ক্রাইস্টচার্চের আল নূর মসজিদে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার সময় বাস পেছনের দিকে নিয়ে সংশয়মুক্ত হওয়ার জন্য বাসের চালককে অনুরোধ করলেও ‘সেই নির্দেশনা নেই’ এমন দাবিতে তা করা হয়নি। ক্রিকেট বিষয়ক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজকে এমনটি জানিয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার মুমিনুল হক।

মুমিনুল বলেন, ‘ঐ দুঃসময়ের মাঝামাঝি সময়ে আমরা ড্রাইভারকে বলি বাস পেছনের দিকে নিয়ে আসার জন্য কিন্তু সে রাজি ছিল না এই জানিয়ে- এটি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়নি। দ্বিতীয় বা তৃতীয় সারিতে মুশফিক ভাইর সাথে বসে ছিলাম আমি। আমরা বাস থেকে দেখছিলাম- সবাই মসজিদ থেকে বের হয়ে আসছে এবং মেঝেতে শুয়ে পড়ছে। তাদের পুরো শরীর রক্তে ভরা। আগেরবার যখন ক্রাইস্টচার্চে আসি আমরা এই মসজিদের নামাজ পড়েছিলাম।’

বাস থেকেই মুমিনুলরা দেখতে পাচ্ছিলেন সন্ত্রাসীর নৃশংসতা। তিনি বলেন, ‘৫-১০ মিনিট আমরা বাসের ভেতরেই বসা ছিলাম। এ সময় পাইলট ভাই কারও সাথে ফোনে কথা বলছিলেন। তামিম ভাই পেছন থেকে আসে এবং আমরা ড্রাইভারকে জানালা খুলে দিতে বলি। আমরা দেখলাম অনেকগুলো দেহ এদিক-ওদিক পড়ে আছে।’

এমন অবস্থায় হেঁটে হেঁটেই হোটেলে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন ক্রিকেটাররা। মুমিনুলের ভাষ্য, ‘আমরা বাসের পেছনের দরজা খুলে পার্কের ভেতর দিয়ে হেঁটে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেই।’

‘৫ মিনিট আগে এলেই আমরা মসজিদের ভেতরে থাকতাম এবং মসজিদের ভেতরে কেউই বেঁচে থাকতো না। এটি আল্লাহর অনুগ্রহ যে আমরা পাঁচ মিনিট পরে সেখানে পৌঁছেছিলাম।’ বলেন মুমিনুল।

ঘটনার ভয়াবহতায় ক্রিকেটাররা কান্নাও করছিলেন বাসের ভেতরে। মুমিনুল জানান, ‘মসজিদে পৌঁছালে আমরা পেছনের সারিতে থাকতাম এবং সন্ত্রাসীটি আমাদের কাউকেই বাঁচিয়ে রাখত না। ভিডিও দেখলে দেখবেন, সে কারও দিকেই তাকাচ্ছিল না, নির্বিচারে গুলি করেছে। আমরা অনেক ভয় পেয়েছিলাম এবং বাসের ভেতর কান্না করছিলাম।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com