মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
প্রধানমন্ত্রী:বলেন প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নয় 

প্রধানমন্ত্রী:বলেন প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নয় 

বুধবার জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-ফোকাস বাংলা

প্রথম শ্রেণিতে চলমান ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এটা শিশুদের ওপর মানসিক চাপ।

তিনি বলেন, এটার কোনো প্রয়োজন নেই। এই ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে হবে। আমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের এ ব্যাপারে দেখার আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ এটা শিশুদের ওপর এক ধরনের মানসিক চাপ।

বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খবর ইউএনবির

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু কিছু স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিতে শিশুদের লিখিত প্রশ্ন দেয়া হয় এবং শিশুদের সে অনুযায়ী লিখতে বলা হয়। শিশুরা যদি প্রিন্ট করা প্রশ্ন দেখে দেখে উত্তর লেখতে পারে তাহলে প্রথম শ্রেণিতে তারা আর কি শিখবে? দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এ প্রথা বাতিল করতে হবে, যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এলাকাভিত্তিক ভর্তি পদ্ধতি হওয়া উচিত। প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ওই এলাকার নির্দিষ্ট বয়সী শিশুদের ভর্তি করতে হবে।

শিশুদের ওপর অতিরিক্ত চাপ দেয়া উচিত নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের পড়াশোনাটা তারা যেন খেলতে খেলতে, হাসতে হাসতে সুন্দরভাবে নিজের মতো করে নিয়ে পড়তে পারে সেই ব্যবস্থাটাই করা উচিত।

অতিরিক্ত চাপ পড়াশোনায় শিশুদের আগ্রহ নষ্ট হতে পারে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, শিশুদের মধ্যে যেন ভীতি তৈরি না হয় সেজন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের নজর দিতে হবে।

শিশুদের নিয়ে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হওয়া অভিভাবকদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় আমরা দেখি প্রতিযোগিতাটা শিশুদের মধ্যে না হলেও মায়েদের মধ্যে বা বাবা-মায়ের মধ্যে একটু বেশি হয়ে যায়। এটাও কিন্তু একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা বলে আমি মনে করি।

অতিরিক্ত চাপ দিলে শিক্ষার প্রতি শিশুদের ভীতি সৃষ্টি হয়: প্রধানমন্ত্রী

সন্তানের শিক্ষা নিয়ে অভিভাবকদের অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিশুদের ওপর অতিরিক্ত চাপ দিলে শিক্ষার প্রতি তাদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি হয়। তারা যেন শিক্ষাটাকে আপন করে নিতে পারে, নিজেদের মতো করে পড়তে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে অভিভাবকদের এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।

বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকাল দেখি শিশুদের মধ্যে নয়, বাবা-মায়েদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বেশি। এই অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে দূরে থাকুন। সারাক্ষণ পড় পড় করলে ছেলে-মেয়েদেরও মন খারাপ হয়। তার যেন আনন্দের সঙ্গে পড়ালেখা করতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রি-প্রাইমারি ও প্রাইমারি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। অনেক দেশে সাত বছরের আগে শিশুরা স্কুলে যায় না। কিন্তু আমাদের দেশের শিশুরা অনেক আগে থেকেই স্কুলে যায়। শিশুদের বয়স হওয়ার পর তাদের স্কুলে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে শিশুদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, তোমরা আমাদের ভবিষ্যৎ। নিজেদেরকে গড়ে তুলবে, লেখাপড়ায় মনোযোগ দেবে। পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা..যার যে গুণ আছে, সেটা যাতে বিকশিত হয়। শিশুদের মধ্যে থাকা সুপ্ত প্রতিভা যেন বিকশিত হয় সেজন্য আমাদের সবার কাজ করতে হবে। আজকের শিশুরাই ভবিষ্যতের কর্ণধার। হয়তো এর মধ্যে থেকেই কেউ আমার মতই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীও হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হাসান। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে জাতীয় শিক্ষা পদক বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষার উন্নয়ন ও সাফল্যের ওপর একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়। ১৯ মার্চ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উদযাপন করা হবে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়- ‘প্রাথমিক শিক্ষার দীপ্তি, উন্নত জীবনের ভিত্তি’।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com