বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৯, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
নবীনগরে উপজেলা নির্বাচনে নৌকার মাঝি হলেন টিটু

নবীনগরে উপজেলা নির্বাচনে নৌকার মাঝি হলেন টিটু

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:নবীনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে নবীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত করা এই প্রার্থীকে বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক কাজী জহির উদ্দিন সিদ্দিক টিটুকে দলের মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।শেষ পর্যন্ত দলের মনোনয়ন দৌঁড় থেকে ছিটকে পড়লেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান স্টিফেন
শুক্রবার রাতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভায় টিটুকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়।
আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য নবীনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী ছিলেন স্টিফেন। তবে তিনি ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ ও শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের ‘নিকট আত্মীয়’ অভিযোগ করে তাকে দলের মনোনয়ন না দেয়ার দাবি জানান মনোনয়ন প্রত্যাশী কাজী জহির উদ্দিন সিদ্দিক টিটু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এইচ.এম আল-আমিন আহমেদ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস।
গত ২৮ জানুয়ারি নবীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিমকে দায়িত্ব দেন দলীয় নেতারা। পরবর্তীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান স্টিফেনকে দলের একক প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। এরপর থেকেই স্টিফেনকে নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। তিনি ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ ও যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের ‘নিকট আত্মীয়’ বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে স্টিফেনের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন জহির উদ্দিন সিদ্দিক টিটু, আল-আমিন আহমেদ ও সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস। যদিও নবীনগরে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন স্টিফেন। জেলার অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থেকে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সরাইল উপজেলায় মোঃ শফিকুর রহমান, নাসিরনগর উপজেলায় রফি উদ্দিন আহম্মদ,আখাউড়া উপজেলায় আবু কাশেম ভ’ইয়া, আশুগঞ্জ উপজেলায় হানিফ মুন্সি, কসবা উপজেলায় মোঃ রাশেদুল কাওছার ভূইয়া।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com