সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
‘ প্রতিরাতেইবিয়ের পর থেকে আমি ধর্ষিত’

‘ প্রতিরাতেইবিয়ের পর থেকে আমি ধর্ষিত’

বিয়ের দিন আমি খুব অসুস্থ ছিলাম। বিয়ের যাবতীয় ধর্মীয় আচার, অতিথি অভ্যর্থনা করতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। গায়ে ধুম জ্বর নিয়েই সব করে যাচ্ছিলাম দম দেওয়া পুতুলের মতো। রাতে যখন ঘরে ঢুকলাম, তখন আমি ক্লান্ত, অসুস্থ, পরিশ্রান্ত। জ্বরটা বেড়েছে। আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম, বিয়ের রাতের সেই চরম মুহূর্তটা আমি আমার ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে দারুণ উপভোগ করব। কিন্তু সেদিন আমার সেই সামর্থ্য ছিল না। কিন্তু সেই একটা রাতেই যেন সব স্বপ্ন চুরমার হয়ে গেল। অসুস্থ শরীরটাকেই ছিঁড়ে খেল তথাকথিত স্বামী।

ওপরের কাহিনীটি দিল্লির বৃন্দা নামে মহিলার। বিবাহিত জীবনেও প্রতি মুহূর্তে কী ভাবে ধর্ষিত হন মহিলারা, তারই নৃশংস নজির বৃন্দা। ইন্টারনেট দুনিয়ায় বৃন্দার খোলা চিঠি ফেলে দিয়েছে আলোড়ন। কী ভাবে বিয়ের প্রথম রাত থেকেই স্বামীর নির্মম লালসার শিকার হয়েছেন তিনি. খোলা চিঠিতে লিখেছেন সবই। উদ্দেশ্য, সমাজের ভয়ে মুখ খুলতে না-পারা সেই সব অত্যাচারিত মহিলাদের সজাগ করা। পাঠকদের জন্য রইল বৃন্দার সেই খোলা চিঠি।

বৃন্দা লিখছেন,
আমি সব সময়ই ভেবেছিলাম, স্বামীকে খুব ভালোবাসব। দেহ, মন- সব কিছুই তাঁকে দেব। কিন্তু বিয়ের প্রথম রাতেই আমি হয়ে গেলাম স্রেফ একটা রক্ত মাংসের দেহ। যা নিয়ে যেমন ইচ্ছে খেলা করবে আমার স্বামী। বিয়ের দিন রাতে ঘরে ঢুকতেই আমাকে পিছন থেকে জাপটে ধরল স্বামী। আমার তখন মাথা ঘুরছে। গায়ে তীব্র জ্বর। বললাম, কাল সকালে এসব করলে হয় না। শরীরটা খুব খারাপ। হিংস্র প্রাণীর মতো কোনো কথাই সে শুনল না। আমার শরীর থেকে পোশাকগুলো কার্যত ছিঁড়ে ফেলল সে। আমি কাঁদতে শুরু করলাম। বললাম, দোহাই তোমার, আমার ভয় করছে। বলল, প্রথম দিন সবার ভয় করে। আমি নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু ও পাশবিক শক্তি দিয়ে আমাকে শুইয়ে দিল। বলল, আমি তোমার স্বামী, কিচ্ছু হবে না। আমি বললাম, আমাকে অন্তত আজকের রাতটা সময় দাও। সে বলল, অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করছি, আর পারছি না। তারপর আমাকে নিয়ে মেতে গেল। ওদিকে আমার হৃদয়টাও ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

আমি শুধু ভাবছিলাম, কিছুক্ষণ আগেও তো আমি পবিত্র ছিলাম। এক মুহূর্তে সব শেষ। আমি শুধু বললাম, তুমি এটা ঠিক করলে না। স্বামী বলল, আমি এই মুহূর্তটার জন্য অনেক দিন ধরেই অপেক্ষা করছিলাম। তারপর আমাকে জাপটে ধরল। যেন মোটা দড়ি দিয়ে আমায় বাঁধল। এবং অসম্ভব রেগে গেল। বলল, তোমাকে এই মুহূর্তটা উপভোগ করতেই হবে। তুমি এখন আমার স্ত্রী। অতএব, আমি যখন ইচ্ছে তোমার সঙ্গে সেক্স করব। যা করছি, করতে দাও। আমি ভয়ে, ঘৃণায় কুঁকড়ে গেলাম। তারপর থেকে যতবার ও আমার দেহটাকে উপভোগ করত, ততবার আমাকে অপমান করত। সব সময় শুধুই সেক্সের কথা বলত। কোনো গল্প করত না। প্রত্যেকটা দিন আমি ধর্ষিত হতাম। আমার শরীরটা থাকত বিছানায়। মনটা পড়ে থাকত অন্যদিকে। আমি মাটির পুতুলের মতো শুধু যা বলত শুনে যেতাম। ও আমায় রোজ বলত, আমি ওর যোগ্য নই। আমার যৌন চাহিদাই নেই। আচ্ছা, বিয়ে মানেই কি শুধু যৌনতা?

আমাদের সন্তানও হলো। তারপরও প্রতিরাতেই চলত ধর্ষণ। কেন জানি না, ও যখনই আমার ওপর শুতো, তখনই আমি চলে যেতাম অনেক অনেক দূরে। এই ভাবেই একদিন বুঝতে পারলাম, ও পরকীয়া করছে। অন্য নারীতে মজেছে। একদিন ওকে বোঝালাম, শুধু শরীরটাই সব। আমরা একে অপরের মনটাকে বুঝব না? একে অপরকে সম্মান করব না? না, ওর কাছে স্ত্রী মানে শুধুই যৌনসুখ। কেন বোঝাতে পারলাম না, একেই ধর্ষণ বলে। হ্যাঁ, বিয়ের পর থেকে প্রতিরাতেই আমি ধর্ষিত হই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com