সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৯, ০৯:২৪ অপরাহ্ন

Translator
Translate & English

যে সড়ক হাজার হাজার শিক্ষার্থীর দূর্ভোগ

এম এ কাউসার তুষার:কুমিল্লা নগরীর দেশের প্রাচীন ১টি জনপদ যা এক সময় শিক্ষা অগ্রযাত্রার পিছনে কারিগর হয়ে নিজেকে নিয়োজিত রাখত সাবেক মহকুমা হতে আজ অবধি।
একটা সময় শিক্ষার্থীদের পৃথিবী শিক্ষা জগতে বিচরনের ভীত গড়ে দিত-ভিক্টোরিয়া হাই স্কুল, হারুণ স্কুল, ইউছুফ স্কুল, কুমিল্লা হাই স্কুল, কুমিল্লা মডার্ণ স্কুল, ওআই ডব্লিউ সিএ স্কুল, ফরিদা বিদ্যায়তন স্কুল, ফয়জুন্নেছা স্কুল, আওয়ার লেডি অব ফাতেমা স্কুল এর মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-বর্তমান নগর ব্যবস্থাপনায় দেশের ভিন্ন প্রান্ত হতে নগরীতে ও আশেপাশের অঞ্চলে কর্মসংস্থান ও জীবন জীবিকার তাগিদে এসে মানুষ বংশ বিস্তার করে-থেকে যায় এ অঞ্চলে। বাড়তে থাকে সে হারে শিক্ষা পরিবেশ তৈরী করার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
সে হারে বাড়াতে পারিনি-আমরা শিক্ষা ভূমিতে নিরাপদে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিচরন। তেমনি নগরীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক কান্দিরপাড় হতে ঝাগুরঝুঁলি বাইপাস সড়ক। যে সড়কে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ-অজিতগুহ কলেজ, কুমিল্লা সরকারি কলেজ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যায়ল কলেজ, কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের-তথ্যমতে ৭১ হাজারের ও বেশি শিক্ষার্থী ও যাত্রী এ সড়কে যাতায়াত। সূত্র জানান-ভিন্ন নগর ও দেশ হতে এ নগরে এসে সড়কে চলতে অনেকের অভিমত- এটি কেমন নগর! তারাই বা কেমন? সড়কের বেশি অংশ ভাঙ্গা, বৃষ্টিতে পানি জমে, রাস্তার দু’পাশে ড্রেন থাকার কথা থাকলেও কোন ক্ষেত্রে একপাশে, ফুটপাত কোথাও আছে কোথাও নেই, এতে যেমন অবাক বিদেশী পর্যটকরা তেমনি হতাশ আমরা, জানান-বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী।
রানীর বাজার হতে অশোকতলা মোড় পর্যন্ত সড়কের বেহাল অবস্থা। আর এ বেহাল অবস্থায় প্রসঙ্গে মডার্ণ স্কুল এর এক অভিভাবক জানান-জেলা দায়রা জজ এর বাসভবনের পশ্চিম পাশে গড়ে ওঠা প্লট ও ফ্ল্যাট ব্যবসার মোহে থাকা তাদের ব্যবসার কাজ হাসিল করার জন্য রাস্তা পাশে ইট, বালু রেখে দিনের পর দিন ফুটপাতে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা। গত বর্ষায় রাস্তায় ইট ভাঙ্গার কাজ করে পানি নিষ্কাশনের গতি রোধ করার ফলে সড়কের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়। এতে ধীরে ধীরে যান চলাচলে অনুপযোগী হয়। এ সম্পর্কে নাগরীকদের অভিমত কয়েকটি ডেভেলপার কোম্পানী ও এম আর সি বিল্ডারর্স দায়ী- আইন বর্হিভূর্ত ভাবে ইমারত তৈরী করায়। কয়েকজন-তাদের সঠিক কাগজ পত্রাদি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। এতে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ নিরব থাকায় হতাশ-স্থাানীয় জনগণ ও পরিবহন নেতারা-তথ্যমতে। এ সড়ক দ্রুত মেরামত করে স্বল্প পাল্লা ও মহাসড়কে স্বল্প সময়ে পৌঁছার ভারী পাল্লার পরিবহন যাতায়াত এর পথ সুগম করে দিতে আহ্বান জানান তারা। ধর্মপুর রেলগেট হতে ধর্মপুর পশ্চিম চৌমুহনীর মোড় হয়ে শাসনগাছা মোড় পর্যন্ত সড়কে চলমান কাজ দ্রুত শেষ করছে না কেন?এর কারণ জানতে চায়-সড়কে চলাচল করা যাত্রী ও সড়কে বিনিয়োগ করা অর্থদাতা সংস্থাসমূহ-সূত্র তথ্যমতে জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com