শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৯, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
“অভিনন্দন” সাধারন শ্রমিকদের আতঙ্কিত হওয়া কারন নেই।  নাগরিক-হয়রানীর শিকার হচ্ছে খুলনা দৌলতপুর ভূমি অফিসে কুমিল্লায় মাটি চাপা দেয়া অজ্ঞাত তরুণের লাশ উদ্ধার দাকোপের বাজুয়ায় ধানের পালায় আগুন লাগিয়ে সাড়েনয় বিঘা  বিঘা জমির ধান্য নষ্ট করেছে দুর্বিত্তরা। সারা দেশে ৬৪ হাজার বাড়ি তৈরী করে দেবে আ.লীগ সরকার : ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান গত অর্থ বছরে চৌদ্দ কোটি টাকার মত রাজস্ব জমা দেওয়া হয়েছে- খুলনা দৌলতপুর সাবরেজিষ্টার কার্যালয় এ- বেনাপোলের পুটখালী সিমান্ত থেকে ভারতীয় পিস্তল উদ্ধার বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম সন্ত্রাস, মাদকদ্রব্য নির্মুল ও আইন শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতির ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় যশোর জেলার শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছেন আইটি খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী জাপান ও বাংলাদেশ
জেলা কুমিল্লার সাব রেজিষ্টার কার্য্যালয় সমূহের বর্তমান প্রেক্ষাপট

জেলা কুমিল্লার সাব রেজিষ্টার কার্য্যালয় সমূহের বর্তমান প্রেক্ষাপট

এম এ কাউসার তুষার : ভূমি ব্যবস্থাপনায় ভূমি মালিকানা বদলের সঠিক তথ্যাবলি সংগ্রহ ও উপস্থাপন করে ভূমি দলিল সম্পাদন করা সাব রেজিষ্টার কার্যালয় এর মূল কাজ, যা সম্পাদন করা হয় একজন সাব রেজিষ্টার মাধ্যমে, সকল কাগজ পত্রাদি দেখে সত্যতা যাচাই করে দলিলের কাজ সম্পাদন করাই সাবরেজিষ্টার এর কার্যক্রম, কিন্তু সূত্র তথ্যমতে জানান- সাব রেজিষ্টার এর দায়িত্ব কর্তব্য থাকলেও নগদ অতিরিক্ত টাকা ব্যতিত কোন দলিল এর কাজ সম্পাদন করা হয় না, এমনিক টাকা দেওয়ার পরেও সময়ক্ষেপন করতে হয়, এর সত্যতা যাচাইয়ে জেলার চান্দিনা উপজেলার সাব রেজিস্টার কার্যালয়ে সরজমিনে তথ্য সংগ্রহ করে জানা যায়- এখানকার নকল নবিশ দীর্ঘ ৯ বছর বেতন পান না, তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে সংসার পরিচালনায় খুবই কষ্ট হয়, তাদের কি অবস্থা বুঝার ও তা নিয়ে তদারকি করে সমস্যা সমাধানে কেউ কি নেই -তাদের প্রশ্ন? তথ্য মতে আরও জানা যায় উক্ত অফিসে নাগরিকগন ভূমি দলিল সম্পাদনের জন্য সরাসরি সেবা নিতে পারে না এবং ঘন্টা পর ঘন্টা বাহিরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় টাকা নিয়ে তাও আবার কর্মকর্তার কর্মচারীদের চোখের সামনে করে থাকেন দালালরা, তারা এতে সন্তুন্ট কারণ টাকা হাত বদল হয়ে তাদের পকেটে ঢুকছে- সেখান হতে যায় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে-যা অফিসের সময় শেষ হওয়ার পর অফিস সহকারী মাধ্যমে সাব-রেজিষ্টারি কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ প্রক্রিয়ার কোন কোন ক্ষেত্রে সাব রেজিষ্টার একাই টাকা নিতে চাহিলে কর্মচারিদের সাথে মত পার্থক্য সৃষ্টি হয়-যার প্রভাব পড়ে পরের দিন অফিস কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর সেবা নিতে আসা ব্যক্তি বর্গের উপর।
তেমনি জেলার সদর দক্ষিন উপজেলার সাব রেজিষ্টার কার্যলয়ের তথ্য সংগ্রহ করে জানা যায়-এই সাব রেজিষ্টার কার্যলয়ের সরকারি বন্দবস্তহীন খাস ভূমি বেশি হওয়াতে -ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই পাশের খাস ভুমিতে কিছু অসাধু চক্র সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে ভূমি বিক্রি করে টাকা নেয়। আর এতে সহযোগীতা করছে উক্ত সাব রেজিষ্টার কার্যালয়ে কর্মচারী ও কর্মকর্তা- ভূয়া দলিল তৈরি করে জমি বিক্রি করনে। পরবর্তীতে ভুক্ত-ভুক্তিগন এর সত্যতা যাচাইয়ে ভুমি মালিকানা নিতে না পেরে মামলা দারস্থ হয়েছেন। তথ্য মতে জানা যায়- অনেকের মূল দলিল থাকা শর্তেও জাল দলিল তৈরি করে ভূমি দখল করে আছে- এমন অনেক বিষয়দি নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে, একজন সিনিয়র আইনজীবি জানান-অনেক মামলা সাবেক সাব-রেজিষ্টার দোষী সার্বস্ত হয়ে আছেন- তাদের আইনের প্রক্রিয়ায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে- অনেক ক্ষেত্রে দালাল টাকা নিয়ে কাজ না করে হারিয়ে যায়- এতে অনেক অর্থনৈতিক ও মানসিক ক্ষতির সম্মুখিন হতে হয় সেবা নিতে আসা নাগরিকগনের । তারই সূত্র ধরে সদর উপজেলার সাব-রেজিষ্টার কার্যলয়ের তথ্য সংগ্রহ করে দেখা যায়-সেখানে সাব-রেজিষ্টার কাজ করতে দুইজন অস্থায়ীভাবে- এতে নাগরিক গন ভোগান্তিতে পড়ছে। তা হতে লাগবের জন্য স্থায়ী সাব-রেজিষ্টার নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন মনে করছেন নাগরিকগন। এতে নাগরিকগনের সময় বাচঁবে ও সল্প সময়ে সেবা নিয়ে কাজ সম্পন্ন করতে পারবে।
তেমনি জেলার বরুড়া সাব রেজিষ্টার কার্যালয় তথ্য সংগ্রহ করে জানাযায়- সেখানকার ভূমি বিরোধ এবং জাল দলিলের কারবার পূর্বে বেশি হওয়াতে বর্তমানে কার্যালয়ে কর্মরত ব্যক্তি বর্গের কাজ সম্পাদনে বেগ পেতে হয়। এখানার নকল নবিশ বেতন পান না ২ বছর এর উপর, এতে তারা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছে । তাদের কার্যলয়ের ভবন অনেক পুরোনো জরাজীর্ন অবস্থা যা অল্প সময়ের মধ্যে পূর্ননির্মাণ করা প্রয়োজন।
তেমনিক জেলার ভুড়িচং সাব রেজিষ্টারি কার্যালয়ের অবৈধ অর্থের কারবারি চলমান অবস্থা বন্ধ করার প্রয়োজন মনে করেন ভুড়িচং এর সুশীল সমাজ। সেখানে সাব রেজিষ্টার এর চাহিদা মোতাবেক অর্থ না পেলে তিনি কোন দলিল এর কাজ সম্পাদন করেন না। ভুক্তভোগি অনেকে জানান-উনার চাহিদা মেটাতে গিয়ে এনজিও থেকে ঋণ ও ধার করে জমির দলিল সম্পন্ন করে, এখন ওনারা বিপাকে পরে আছেন, আর যেন কেউ এ বিপাকে না পরে সেজন্য তারা গণমাধ্যম কর্মীকে জানান।
তেমনি জেলার নাঙ্গলকোর্ট সাব-রেজিষ্টারি কার্যালয় এর অফিস সহকারী মোঃহাশেম বিভিন্ন অবৈধ অপকর্ম ও অনিয়মের তথ্য পেলে এর সত্যতা যাচাইয়ে ওনার সাথে মোবাইলে কথা হলে উল্টো তিনি গণমাধ্যম সম্পাদক এর সাথে চওড়া হয়ে উঠেন – এখন প্রশ্ন? তিনি সকালে পকেটে কত টাকা নিয়ে অফিসে আসেন আর বের হয় কত টাকা নিয়ে ? এর হিসাবটুকু তার বিবেকের সাথে তিনি করুক। এতে তথ্যদাতা ও গণ্যমাধ্যম কর্মী নিজের অবস্থানে থেকে পাঠকদের কাছে স্বচ্ছ থাকবে।(চলবে)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ বোরহান হাওলাদার(জসিম)

Design & Developed BY ThemesBazar.Com