শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
Thai Night brings the ‘Creative Thai’ spirit to Hong Kong FILMART কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ন্যাশনাল সার্ভিস স্থায়ীকরণের দাবীতে মানববন্ধন শিল্পী ও সাংবাদিক রাজা’র দাফন সম্পন্ন দোলযাত্রা উপলক্ষে হিলি সীমান্তে মিষ্টি উপহার দিয়ে হোলি উৎসবের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরা। আগামীকাল  ২২ মার্চ শুক্রবার সর্বজিৎতের মুখে ভাত ও শুভজন্মদিন অনুষ্ঠন। স্প্যাকম্যান বিনোদন গ্রুপের আসন্ন চলচ্চিত্র, ক্রাজি রোম্যান্স, জিপ সিনেমার দ্বারা উত্পাদিত, চলচ্চিত্র নির্মাণ সমাপ্ত এবং ২০১৯-এ কোরিয়াতে মুক্তি দেওয়ার সেট আশুলিয়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা হিলিতে ১৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক ৩ দোল পুর্নিমা হোলি উৎসব এবং শ্রী গৌর পুর্নিমা কি??     47/5000 থাই নাইট ২019 সালে হংকং ফিলমার্টে ফিরে আসে
৪ আসন সীতাকুণ্ডে নৌকাকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ালেন জাপা প্রার্থী

৪ আসন সীতাকুণ্ডে নৌকাকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ালেন জাপা প্রার্থী

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আ’লীগ প্রার্থী আলহাজ দিদারুল আলমকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী জাপার কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব দিদারুল কবির। আজ শনিবার তিনি বাড়বকুণ্ডে জাতীয় পার্টি আয়োজিত এক সভায় এ কথা ঘোষণা দেন। ঐ সভায় উপস্থিত ছিলেন আ’লীগের প্রার্থীও।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম ৪ (সীতাকুণ্ড) সংসদীয় আসনে শনিবার পর্যন্ত মোট ৬টি দল নির্বাচনী লড়াইয়ে ছিল। এসব দলের প্রার্থীরা হলেন- আ’লীগের আলহাজ দিদারুল আলম (নৌকা), বিএনপির প্রার্থী লায়ন আসলাম চৌধুরী এফসিএ, (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টি আলহাজ দিদারুল কবির দিদার (লাঙল), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর আশরাফ হোসাইন (মোমবাতি), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ মোজাম্মেল হোসাইন (চেয়ার), ইসলামী আনেন্দালন শামছুল আলম হাশেম (হাত পাখা)।

প্রতীক পাবার পর দলগুলোর প্রার্থীরা প্রচারণা চালিয়ে যান। তবে প্রচারণায় সবচেয়ে এগিয়ে ছিলেন আ’লীগের প্রার্থী দিদারুল আলম। এ ছাড়া জাতীয় পার্টিও প্রচারণায় ছিল নিয়মিত। কিন্তু সে তুলনায় বিএনপির প্রচারণা ছিল না বললেই চলে। অবশ্য এ দলটির প্রার্থী নিয়ে নানান জটিলতা ও প্রতিবন্ধকতার কারণেই আশানুরূপ প্রচারণা করা যায়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। আর নির্বাচনের একেবারে দোড়গোড়ায় এসে গত বৃহস্পতিবার বিএনপি নিশ্চিত হয় যে তাদের প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব কারাবন্দি নেতা লায়ন আসলাম চৌধুরী এফসিএ। এ কারণে আসলাম চৌধুরী একদিনও প্রচারণা চালাতে পারেননি।

অন্যদিকে বিএনপির প্রচারণা কম থাকলেও আ’লীগের ব্যাপক প্রচারণার পাশাপাশি জাতীয় পার্টি ও অন্য দলগুলোর শোডাউনে সীতাকুণ্ডে নির্বাচনী উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছিল। সার্বিক বিবেচনায় আ’লীগ-বিএনপির পাশাপাশি জাতীয় পার্টিকেও রাজনৈতিকভাবে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা হয়। জাতীয় পার্টি আরো বেশি গুরুত্ব পায় মহাজোটের শরীক হিসেবেও। যদিও এই নির্বাচনে শরিক দুটি দল আ’লীগ ও জাতীয় পার্টি চট্টগ্রাম ৪ আসন থেকে নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকায় একটির ভোট অন্যটির জন্য কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। ঠিক এমনি অবস্থায় ভোটাররা যখন ফলাফলের দিকে তাকিয়ে ঠিক তেমনি সময়ে শনিবার দুপুরে জাতীয় পার্টির প্রার্থী একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন যে তিনি আ’লীগ প্রার্থী আলহাজ দিদারুল আলমকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন। সে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আ’লীগের প্রার্থীও।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় পার্টির প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব দিদারুল কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আ’লীগ ও জাতীয় পার্টি শরিক দল। আমরা দুটি দলই নির্বাচনে থাকলে ভোটের ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলত। তাই নৌকাকে জয়ী করতে আমি নৌকার প্রার্থী দিদারুল আলমকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। জাতীয় পার্টির কর্মী সমর্থকদের লাঙলের বদলে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অপরদিকে জাতীয় পার্টির সমর্থন পাবার কথা নিশ্চিত করেন নৌকার প্রার্থী আলহাজ দিদারুল আলম এমপি। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টির প্রার্থী দিদারুল কবির একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। আ’লীগের নিজস্ব সমর্থনের পাশাপাশি জাতীয় পার্টিও সমর্থন দেওয়ায় আমরা অবশ্যই আরো বেশি শক্তি পাব। আর এই সম্মিলিত শক্তির ভোটে আমরাই বিজয়ী হব বলে আমি বিশ্বাসী।

এদিকে আ’লীগ ও জাপা একত্রিত হয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেও নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে এসেও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে কোনো উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তফাজ্জল হোসেন বলেন, আমাদের প্রার্থী আসলাম চৌধুরীকে নিয়ে এত নাটক হয়েছে যে, আমরা তাঁর জন্য একটি ঘণ্টাও প্রচারণা চালাতে পারিনি। প্রথমে ইসহাক চৌধুরীকে দিয়ে গত বৃহস্পতিবার জানা গেল আসলাম চৌধুরীই চূড়ান্ত প্রার্থী। একদিকে তিনি কারাবন্দি আর অন্যদিকে প্রচারণার শেষ দিন তার বিষয়ে আমরা নিশ্চিত হলাম যে তিনিই প্রার্থী। তাই তাকে নিয়ে আমাদের কোনো প্রচারণাই হয়নি। আর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারি দলের সমর্থকদের বাধা তো ছিলই। তাই আমরা হতাশ। তবে ধানের শীষে ভোট দিতে চাই। এখন নির্বাচন কেমন হবে তা দেখার অপেক্ষায় আছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ বোরহান হাওলাদার(জসিম)

Design & Developed BY ThemesBazar.Com