শুক্রবার, ১৪ Jun ২০১৯, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
মেঘালয়ের কয়লা খনিতে আটকা ১৫ শ্রমিক

মেঘালয়ের কয়লা খনিতে আটকা ১৫ শ্রমিক

১৩ দিন ধরে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ের একটি কয়লা খনিতে আটকা পড়ে রয়েছেন ১৫ শ্রমিক। কয়লা খনিতির পাশে থাকা একটি নদী ও অপর আরেকটি খনি থেকে সেখানে প্রতিনিয়ত পানি ঢুকতে থাকায় তাদের বেঁচে থাকার আশা ক্রমশ কমে আসছে। পুরনো এই খনিটি থেকে কয়লা আহরণ অবৈধ হলেও শ্রমিকরা তা উপেক্ষা করে শ্রমিকরা ওই খনির গভীরে প্রবেশ করেন। র‍্যাট হোল’ খনি নামে পরিচিত এ ধরণের খনি মেঘালয়ে অনেক রয়েছে। এসব খনি থেকে কয়লা আহরণ বিপদজনক। তবুও শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী কর্মীদের মাটির শত শত ফুট নিচে পাঠিয়ে কয়লা আহরণ করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। খবর রয়টার্সের।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন বাহিনীর (এনডিআরএফ) প্রায় শতাধিক সদস্য খনি এলাকায় অবস্থান করছেন। দলটির কমান্ডার এসকে শাস্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে ব্যহত হচ্ছে তাদের উদ্ধার কার্যক্রম। দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, সেচ দিয়ে খনি থেকে বাইরে পানি ফেলা শুরু করলেও পাশের নদী ও খনি থেকে তা ভরাট হতে থাকায় রবিবার উদ্ধার অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এদিকে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে ভারতের কেন্দ্রীয় কয়লা খনি বিষয়ক সংস্থার কাছে সাহায্যের আবেদন করেছে মেঘালয়ের রাজ্য সরকার। এ বিষয়ে জেকে বরাহ নামের এক কর্মকর্তা বলেন, বুধবার বিকালে কোল ইন্ডিয়া সাহায্যের আবেদন চায়। রাজ্য সরকার কোল ইন্ডিয়ার কাছে ১০টি পাম্প, পাইপ, জরিপ চালানোর জন্য সহকারি এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা চেয়েছে।

মেঘালয়ের রাজধানী শিলং থেকে মেঘালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী কিরমন শিল্লা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, একমাত্র ঈশ্বরের আশীর্বাদ ও অলৌকিক কিছুই তাদের বেঁচে ফিরে আসতে সাহায্য করতে পারে।

১৩ ডিসেম্বর মেঘালয়ের খনিটিতে কাজ করতে যান ওই ১৫ শ্রমিক। তখন থেকেই মাটির নিচে আটকা পড়ে রয়েছেন তারা। খনিতে আটকা পড়া শ্রমিকদের মধ্যে সাতজন মেঘালয়ের পশ্চিম গারো পার্বত্য জেলার, পাঁচজন আসামের ও বাকি তিনজন প্রত্যন্ত লুমথারি গ্রামের বলে জানিয়েছে সেখানকার কর্তৃপক্ষ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com