শনিবার, ১৫ Jun ২০১৯, ০৮:৪২ অপরাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
জঙ্গি হামলা : মামলায় সাক্ষি দিতে কেউ আসেনি

জঙ্গি হামলা : মামলায় সাক্ষি দিতে কেউ আসেনি

রাজধানীর গুলশানে হলি আটিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার আলোচিত মামলায় কোনো সাক্ষি আদালতে না আসায় আগামি ৬ জানুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।

রবিবার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলায় সাক্ষির জন্য দিন ধার্য ছিল। কোন সাক্ষি হাজির করতে না পারায় রাষ্ট্রপক্ষ সময় আবেদন করে। এর প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মনির কামাল সাক্ষির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

এ মামলায় বিচার শুরু হওয়ার পর থেকে এথন পর্যন্ত মামলার বাদিসহ মোট ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

তবে কারাগারে থাকা ছয় আসামি জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, রাশেদুল ইসলাম ওরফে র‍্যাশ, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান এবং হাদিসুর রহমান সাগরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। অন্যদিকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাপ্রাপ্ত শহীদুল ইসলাম খালেদ ও মামুনুর রশিদ রিপন পলাতক।

চলতি বছরের গত ২৬ নভেম্বর মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের (সংশোধনী ২০০৩) ৬(২)/৭/৮/৯/১০/১২/১৩ ধারায় চার্জ গঠন করার পর বিচার শুরু হয়।

এর আগে ২৩ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম বিভাগের পরিদর্শক হুমায়ূন কবির চার্জশিট দাখিল করেন।
২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তখন তাদের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হন। ওই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা করে পুলিশ।

গুলশানের হলি আর্টিসানে সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন থান্ডারবোল্টে’ নিহত পাঁচ হামলাকারী হলেন- রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল।

বিভিন্ন ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে নিহত আটজন হলেন- তামীম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com