শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৯, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
“অভিনন্দন” সাধারন শ্রমিকদের আতঙ্কিত হওয়া কারন নেই।  নাগরিক-হয়রানীর শিকার হচ্ছে খুলনা দৌলতপুর ভূমি অফিসে কুমিল্লায় মাটি চাপা দেয়া অজ্ঞাত তরুণের লাশ উদ্ধার দাকোপের বাজুয়ায় ধানের পালায় আগুন লাগিয়ে সাড়েনয় বিঘা  বিঘা জমির ধান্য নষ্ট করেছে দুর্বিত্তরা। সারা দেশে ৬৪ হাজার বাড়ি তৈরী করে দেবে আ.লীগ সরকার : ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান গত অর্থ বছরে চৌদ্দ কোটি টাকার মত রাজস্ব জমা দেওয়া হয়েছে- খুলনা দৌলতপুর সাবরেজিষ্টার কার্যালয় এ- বেনাপোলের পুটখালী সিমান্ত থেকে ভারতীয় পিস্তল উদ্ধার বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম সন্ত্রাস, মাদকদ্রব্য নির্মুল ও আইন শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতির ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় যশোর জেলার শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছেন আইটি খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী জাপান ও বাংলাদেশ
জঙ্গি হামলা : মামলায় সাক্ষি দিতে কেউ আসেনি

জঙ্গি হামলা : মামলায় সাক্ষি দিতে কেউ আসেনি

রাজধানীর গুলশানে হলি আটিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার আলোচিত মামলায় কোনো সাক্ষি আদালতে না আসায় আগামি ৬ জানুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।

রবিবার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলায় সাক্ষির জন্য দিন ধার্য ছিল। কোন সাক্ষি হাজির করতে না পারায় রাষ্ট্রপক্ষ সময় আবেদন করে। এর প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মনির কামাল সাক্ষির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

এ মামলায় বিচার শুরু হওয়ার পর থেকে এথন পর্যন্ত মামলার বাদিসহ মোট ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

তবে কারাগারে থাকা ছয় আসামি জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, রাশেদুল ইসলাম ওরফে র‍্যাশ, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান এবং হাদিসুর রহমান সাগরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। অন্যদিকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাপ্রাপ্ত শহীদুল ইসলাম খালেদ ও মামুনুর রশিদ রিপন পলাতক।

চলতি বছরের গত ২৬ নভেম্বর মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের (সংশোধনী ২০০৩) ৬(২)/৭/৮/৯/১০/১২/১৩ ধারায় চার্জ গঠন করার পর বিচার শুরু হয়।

এর আগে ২৩ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম বিভাগের পরিদর্শক হুমায়ূন কবির চার্জশিট দাখিল করেন।
২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তখন তাদের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হন। ওই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা করে পুলিশ।

গুলশানের হলি আর্টিসানে সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন থান্ডারবোল্টে’ নিহত পাঁচ হামলাকারী হলেন- রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল।

বিভিন্ন ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে নিহত আটজন হলেন- তামীম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ বোরহান হাওলাদার(জসিম)

Design & Developed BY ThemesBazar.Com