শনিবার, ২০ Jul ২০১৯, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
সাপাহারে বাল্য বিয়ে নিজেই বন্ধ করলো ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী মোরশেদা

সাপাহারে বাল্য বিয়ে নিজেই বন্ধ করলো ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী মোরশেদা

নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর সাপাহার উপজেলার একেবারে সীমান্ত ঘেঁষা প্রত্যন্ত অঞ্চল পাতাড়ী ইউনিয়নের পাতাড়ী ড্রেনপাড়া গ্রামের ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়–য়া এক শিক্ষার্থী ১০৯ নম্বারে কল দিয়ে নিজের বিয়ে নিজেই বন্ধ করে এলাকায় এক রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। সৎসাহসী ওই শিক্ষার্থীর নাম মোরশেদা খাতুন (১৩) সে পাতাড়ী ফাজিল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে লেখা পড়া করত এবং সে পাতাড়ী ড্রেনপাড়া গ্রামের মোকলেছুর রহমান ও ম’া ফেরদৌসী বেগম এর মেয়ে বলে জানা গেছে।
ঘটনর বিবরণে জানা যায় মাদ্রাসা পড়–য়া ওই শিক্ষার্থীর বাবা-মা পাশের গ্রামের এক ছেলে সাথে তার মেয়ের বিয়ে দেয়ার সকল প্রস্ততি সম্পন্ন করে ১২ডিসেম্বর মঙ্গলবার দিন তারিখ ধায্য করেছিলেন। বাড়ীতে বিয়ের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হতে দেখে শিক্ষার্থী মোরশেদা গ্রামে অবস্থিত বে-সরকারী সংগঠন বিএসডিও এবং বিডিও এর শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও লোক কেন্দ্রে গিয়ে কেন্দ্রের ম্যানেজারকে কোন কথা না বলে ঘরের দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে এবং দেয়ালের চার্টে টাঙ্গানো জরুরী ভিত্তিতে কল করার জন্য সরকারী ফোন নম্বর গুলি তার নিজ খাতায় লিখে নিয়ে দৌড়ে বাসায় ফিরে। এর পর সে নিজ ঘরে ঢুকে নতার বিয়ে বন্ধের জন্য ১০৯ নম্বারে কল দেয়ার চেষ্টা করতে থাকে। ঠিক এ সময়ে তার মা ফেরদৌসী বেগম মেয়ের কল করে বিয়ে বন্ধ করার কৌশল বুঝতে পেরে মেয়ের হাত থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়ে উপর শারীরীক নির্যাতন চালাতে শুরু করে। নির্যাতনের এক পর্যায়ে সে এই নম্বর কোথায় পেল জানার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকলে শিক্ষার্থী মোরশেদা নম্বারটি তার গ্রামের লোক কেন্দ্রের ম্যানেজার শারমীন আক্তার এর নাম বলে দেয়। এর পর ওই মেয়ের বাবা মা লোক কেন্দ্রের ম্যানেজারের প্রতি চড়াও হয়ে তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকী প্রদর্শন করে প্রশাসন সহ বিভিন্ন দপ্তরের ভয়ে সন্ত্রস্থ হয়ে আপাতত মেয়ের বিয়ে বন্ধ করে দেন। নিজের বুদ্ধি মত্তার জোরে নিজের বিয়ে নিজে বন্ধ করার জন্য এলাকাবাসী ওই শিক্ষার্থী মোরশেদা খাতনকে ধন্যবাদ জানান। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কল্যান চৌধুরীর সাথে কথা হলে তিনি জানান যে, এধরনের সংবাদ তিনি পাননি পেলে তাৎক্ষনিক ব্যাবস্থা নিতেন তবে এই প্রতিনিধির নিকট থেকে শুনে তিনি এর ব্যাবস্থা গ্রহনের উদ্যোগ নিবেন বলে জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com