শনিবার, ১৮ মে ২০১৯, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
নবাবগঞ্জে করতোয়া নদী বাঁচাতে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নবাবগঞ্জে করতোয়া নদী বাঁচাতে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নবাবগঞ্জে অবৈধ করাত কলের অভিযান ॥ সরঞ্জামাদি জব্দ
দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃগত ২৭ শে নভেম্বর দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মশিউর রহমান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে অবৈধভাবে নির্মিত ৬টি করাতকলের সরঞ্জামাদি জব্দ করেছেন। চরকাই ফরেষ্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা নিশিকান্ত মালাকার জানান উপজেলার ৬নং ভাদুরিয়া ইউনিয়নের মহাসড়কের পাশে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভাদুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোকছেদ আলী, ইমরুল কায়েস, বাবু চৌধুরী ও আব্দুল কাদের,জসিম উদ্দিন ও টুপির হাট বাজারে খলিলুর রহমান করাতকল স্থাপন করে অবৈধ ভাবে ব্যবসা করে আসছিল। মহাসড়কের দুই পাশে ব্যস্ততম রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কাঠগুলো পদচারীদের বাধাসৃষ্টি করত। এর কারনে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে করাতকল জব্দ করা হয়।
 নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শাখা করতোয়া নদী শুকনো মৌসুমে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল মাটি ভরাট করে ও বিভিন্ন স্থানে আইল ও জালের বেড়া দিয়ে মাছ চাষ করে আসছে। এ কারণে এক সময়ের প্রবাহমান করতোয়া নদী নাব্যতা হারিয়ে মরা করতোয়ায় পরিণত হয়। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে জমির বীজতলা ও বোরো ধান রোপন করায় করতোয়ার নদী মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২৭ শে নভেম্বর নবাবগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান পরিচালনা করে ৮নং মাহমুদপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর ও সৈয়দপুর গ্রামে প্রায় ২ কিঃ মিঃ নদীতে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেন। এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানান, এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেন ও তার ভাই মাহফুজার রহমান বেড়া দিয়ে নদীর প্রবাহমান গতি রোধ করে মাছ চাষ করেন। এ সময় চরকাই ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা নিশি কান্ত মালাকার উপস্থিত ছিলেন। এ অভিযানের কারণে এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com