মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন

রৌমারী সীমান্তে চলছে গরু পাচারের রমরমা ব্যবসা। খতিগুরুস্ত হচ্ছে সীমান্তের কৃষক গন।

রৌমারী সীমান্তে চলছে গরু পাচারের রমরমা ব্যবসা। খতিগুরুস্ত হচ্ছে সীমান্তের কৃষক গন।

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার সীমান্ত এলাকায় চলছে গরু পাচারের রমরমা ব্যবসা। খতিগুরস্ত হচ্ছে আবাদি জমির মালিক গন। উল্লেক যুগ্গো, গরু পাচারের রাস্তা গুল হলো ১নং দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের পূর্ব পাশে ১০৫৭ মেইন পিলার থেকে কাউয়ার চর গ্রামের পূর্ব পাশে ১০৫৮ মেইন পিলার পর্যন্ত মাঝখানে আছে ছোট,ছোট খাল,এবং ৭০০ বিঘার দাগ এ স্থান দিয়ে প্রতি রাতেই ভারত থেকে সর্বচ্চ গরু পাচার করে নিয়ে আসছে বাংলাদেশী গরু পাচার কারীরা। অন্য দিগে ছাটকড়াই বাড়ি,কাউনিয়ার চর,ইটালুকান্দা ও ডিগ্রির চরের পূর্ব পাশে ১০৫৪ ১০৫৬,১০৫৩,১০৫২,১০৫১ মেইন পিলার এগুলোর পিলারের মাঝে,মাঝে রয়েছে ছোট,ছোট নদী এবং সেই নদী গুল বয়ে এসেছে ভারত থেকে এবং নদী গুলোর উপর দিয়ে রয়েছে ভারতের পাকা রাস্তা,এবং নিচে রয়েছে কালপাট,চুংগি এবং ছোট,ছোট ব্রিজ। ঐসব ব্রিজ কালপাটের নিচ দিয়ে এবং বাশের আর্কি চরক দিয়ে পাচার করে নিয়ে আসছে প্রতি রাতে শত,শত ভারতীয় গরু। সীমান্তে কাটাতারের বেড়া দুই পাশে বিএসএফ,বিজিবি সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নজরদারী তবুও পাচার হচ্ছে গরু,কিন্তু এত কড়া নজরদারীর মাঝেও কিভাবে পাচার হচ্ছে গরু।
বিকাল হলেই গরু পাচারের জন্যে ভারত সীমাম্তে কাটাতারের পাশে র্নিজন এলাকা দিয়ে আনা হয় গরু গুলো, রাত নেমে এলেই শুরু হয় পাচার। সন্ধা হলেই সীমান্তের কাছে বাশের মই ও বাশের আর্কি( চরক) নিয়ে ভির জমাচ্ছে বাংলাদেশী গরু পাচার কারীরা। কাটাতারের ব্রেরার উপর বাশের মই বিছিয়ে এবং ব্রেরার পাশে বাশের আর্কি (চরক)লাগিয়ে কাটাতারের ব্রেরার উপর দিয়ে পাচার করছে শত,শত গরু। গরু পাচারে দু দেশের সীমান্তে ঘুরা ঘুরি করছে একাধিক চক্র। রাতা রাতী ধনী হয়ার নেশায় পাচারের কাজে মেতে উঠেছেন তারা। মাঝে,মাঝে কিছু দিন পর,পর বিএসএফ এর কখটেল ও গুলিতে মারা যাচ্ছে বাংলাদেশী গরু পাচার কারীরা তবুও থেমে নেই তারা প্রতি রাত্রেই যাচ্ছে মীমান্তে। শীতের মৌসুমে কুয়াশার ভিতরে আরো বেশি গরু পাচার করছে ঐ এলাকার গরু পাচার কারীরা। রাত একটু গভির হলেই সীমান্তে শুরু হচ্ছে হোঁইচোঁই।
রাতের অন্ধকারে গরু গুলো নিয়ে আসছে অন্য লোকের আবাদি ফসলের জমির উপর দিয়ে এতে করে নষ্ট হচ্ছে এলাকার সাধারন কৃষকের শত,শত বিঘা জমির ফসল, ধান,ভুট্টা,সরিষা এবং অন্য,অন্য আবাদি ফসল। এতে করে অনেক খতিগুরস্ত হচ্ছে সীমান্ত এলাকার সাধারন গরীব কৃষক গন। রৌমারী সীমান্তের নিকট বর্তি বিভিন্ন এলাকার আবাদি ফসলি জমির মালিক গন অভিযোগ করে বলেন
প্রতি রাতেই আমাদের আবাদি ফসলের উপর দিয়ে নিয়ে আসছে
ভারত থেকে পাচার করে আনা শত শত গরু, আমাদের ফসল গুলো ভেঙ্গে চুরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে,এতে আমরা অনেক খতিগুরুস্ত হচ্ছি। আমরা রাত্রী জেগে পাহাড়া দিয়ে তাদের কে নিষেধ করলে তারা আমাদের কথায় কোন গুরুত্ত দেয়না উল্টো আমাদের কে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং তাদের হাতে থাকা বড়,বড় দাও,লাঠি,ফালা,দিয়ে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভিতি দেখায়। কেউ আবার কাপড় দিয়ে মুখ বেধে গরু পাচার করার জন্য চলে আসে সীমান্তে। আবাদি জমির মালিক গনের দাবি সীমান্তে গরু পাচার বন্ধ না হলে আমাদের আবাদি ফসল রক্ষা পাবেনা। তাই সরকার যেন এ বিষয়ে অতীব জরুরী পদক্ষেপ নেয়।
বিষয়টি ১নং দাঁতভাঙ্গা ইউপি সদস্য সীমান্ত এলাকার ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বর মিজানুর রহমানকে জানালে তিনি বলেন আমি চোরাই কারবারীদেরকে অনেক নিষেধ করেছি তার পরেও তারা সীমান্তে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে দাঁতভাঙ্গা ক্যাম্পের বিজিবি কমান্ডার মোঃ আমিনুল ইসলামকে জিঙ্গেস করলে তিনি বলেন আমরা চেস্টা করে যাচ্ছি চোরাই কারবারী দেরকে ধরার জন্য।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Design & Developed BY ThemesBazar.Com