বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:০০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
ভবন নেই বাহিরে পাঠদান রৌমারী চরবোয়ালমারী হাফিজাবাদ দাখিল মাদ্রাসার ভবনটির বেহাল দশা।

ভবন নেই বাহিরে পাঠদান রৌমারী চরবোয়ালমারী হাফিজাবাদ দাখিল মাদ্রাসার ভবনটির বেহাল দশা।

রৌমারী (কুড়িগ্রাম)  প্রতিনিধিঃকুড়িগ্রাম জেলাধীন রৌমারী উপজেলার ২নং শৌলমারী ইউনিয়নের অন্তর্গত চর বোয়ালমারী হাফিজাবাদ দাখিল মাদ্রাসাটির বেহাল দশা।
মাদ্রাসাটি বিগত ১৯৫৫ সনে স্হাপিত হয় যাহার কোড নং ১৪৬৩০ এবং ১/১/১৯৭০ সনে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা কর্তৃক স্কীকৃতি প্রাপ্ত হইয়া অত্র এলাকার সাধারণ শিক্ষাসহ দীনি শিক্ষার কাজ চলিয়া আসিতেছে।
বর্তমান ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ৪২০ জনের মত।
পরিতাপের বিষয় যে বিগত ১৯৯৪-১৯৯৫ অর্থ বৎসরে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর হতে ১টি ৩ কক্ষ  বিশিষ্ট ভবন  নিরমিত হয়ার পরথেকে অনেক কয়েক বৎসরের বর্ষা বন্যার কারনে গৃহটি ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে।এযাবত কোন প্রকার মেরামত করা হইনাই।
মেঝে ও বারান্দার প্লাস্টার নষ্ট হয়ে গিয়েছে। গৃহটির ছাদে ফাটল ধরায় বৃষ্টির পানি চুষে মেঝের মধ্যে পরে
এবং ইট খোয়া সিমেন্ট ধসে ধসে
ছাত্র ছাত্রীর উপরে পরে এতে লেখা পড়ার খুবি অসুবিধা হয়ে পরেছে।
মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রী সাথে কথা বল্লে তারা বলে যে এই ভবনে লেখা পড়া করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয় ইট খোয়া ভেঙ্গে আমাদের গায়ের উপর পরে
গত বছর ছাদের ইট খোয়া ভেঙ্গে পরে ৩-৪ জন আহ্ত হইয়াছে তাই আমাদের খুব ভয় লাগে কখন যেন ছাদ ভেঙ্গে আমাদের মাথার ওপর পরে,তাই আমরা এখন বাহিরে বারান্দায় এবং গাছের নিচে চাটাই বিছিয়ে লেখা পড়া করছি। আমাদের জরুরী দরকার একটা নতুন ভবনের। মাদ্রাসার কমিটি ও শিক্ষক গন জানান আমাদের
মাদ্রাসাটির নিজস্ব ২ একর ৮০ শতাংশ জমি রহিয়াছে,
মাদ্রাসায় ১৪ জন শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারি রহিয়াছে, আমাদের বসার মত কোন রুম নেই টিনসেট একটি ঘরে আপাদত  লাইব্রেরীর কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।
চর বোয়ালমারী হাফিজাবাদ দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবুল কালাম আজাদ জানান জিনজিরাম নদীর দুই পারের প্রায় ১৮ থেকে ২০ টি গ্রামের ছাত্র ছাত্রীর  একটিই ধর্মিয় প্রতিষ্ঠান চরবোয়ালমারী এই হাফিজাবাদ দাখিল মাদ্রসাটি এ ছাড়া অন্য কোন ধর্মিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই এলাকায় নেই। সুপার আরো বলেন আমাদের একটা নতুন ভবনের বিষেশ দরকার কারন আমাদের মাদ্রাসায় ৪২০ শত জনের উর্ধে ছাত্র ছাত্রী রয়েছে। জেডিসিও দাখিল পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষ জনক। এজন্য তিনি দ্রুত ভবন নির্মানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারের প্রতি জোরদাবি জানান।
ভবন নির্মার হলে মাদ্রাসাটি আরো ব্যাপক সাফল্য অর্জন করবে বলে তিনি দাবি করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Design & Developed BY ThemesBazar.Com