বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:২৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
রাজনীতির মুখে ১৫৭ দারা আইনের ও সিনহার বইয়ের পেছনে সাংবাদিক-আইনজীবীর মদদ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

রাজনীতির মুখে ১৫৭ দারা আইনের ও সিনহার বইয়ের পেছনে সাংবাদিক-আইনজীবীর মদদ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

বিচারপতি এস কে সিনহার বই প্রকাশে দেশের সাংবাদিক, আইনজীবী ও পত্রিকার মালিকদের মদদ দেয়ার তথ্য তার কাছে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে এক সংবাদ সম্মেলন একথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা একটু খুঁজে বের করেন না, বইটা লেখার পেছনে কার হাত আছে? এই বইটার পাণ্ডুলিপি কতবার বাংলাদেশে গেছে? কার কাছে গেছে বা তিনি যে লঞ্চটা করবেন; এই লঞ্চিংয়ের টাকা-পয়সা খরচটা কে দিচ্ছে?

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ থেকে কেউ দিচ্ছে কিনা বা আপনাদের মতো কোনো সাংবাদিকরা এর পেছনে আছে কিনা? কোনো সংবাদপত্র আছে কিনা বা তারা কতটুকু সাহায্যপত্র দিচ্ছে? আমাদের কোনো আইনজীবী এর স্ক্রিপ্ট দেখে দিচ্ছে কিনা? কোন পত্রিকা বা পত্রিকার মালিকরা তাকে এই মদদটা দিচ্ছে? স্ক্রিপ্টটা লেখার ব্যাপারে কোনো সাংবাদিক, কোন পত্রিকার, কে এটা সাহায্য করছে?

এই প্রশ্নগুলো করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুঁজে একটু বের করেন। আমি জানি, আমি তো বলবো না আপনাদের। আপনারা খুঁজে বের করেন; সেটা চাই।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী সাইবার অপরাধ এখন একটি আলোচ্য বিষয়। সব দেশ এর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে এই আইন প্রণয়ন করেছি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে নয়। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের পর সাইবার অপরাধ এখন একটি বৈশ্বিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রসঙ্গত, ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় এবং কিছু পর্যবেক্ষণের কারণে ক্ষমতাসীনদের তোপের মুখে ২০১৭ সালের অক্টোবরের শুরুতে ছুটিতে যাওয়া তখনকার প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা। নানা ঘটনাবলীর মধ্যে পদত্যাগের পর এক বছরের মাথায় বিদেশে বসে ‘এ ব্রোকেন ড্রিম: রুল অব ল, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’ শিরোনামে বই লিখে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন।

সিনহার আত্মজীবনীমূলক ৬১০ পৃষ্ঠার এই বইটি অ্যামাজনের কিন্ডেল সংস্করণে বিক্রি হচ্ছে। শনিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে এই বইটি প্রকাশ করা হবে।

বইতে সিনহা লিখেছেন, ২০১৭ সালে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পক্ষে ঐতিহাসিক এক রায় দেয়ার পর বর্তমান সরকার আমাকে পদত্যাগ করতে এবং নির্বাসনে যেতে বাধ্য করে।

২০১৭ সালের অক্টোবরের শুরুতে তিনি ছুটিতে যাওয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে তার অসুস্থতার কথা বলা হলেও ১৩ অক্টেবর বিদেশে চলে যাওয়ার সময় বিচারপতি সিনহা বলে যান, তিনি অসুস্থ নন, ক্ষমতাসীনদের সমালোচনায় তিনি ‘বিব্রত’।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Design & Developed BY ThemesBazar.Com