বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
নাইকো মামলায় খালেদাকে আদালতে হাজিরার পরোয়ানা

নাইকো মামলায় খালেদাকে আদালতে হাজিরার পরোয়ানা

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নাইকো দুর্নীতি মামলায় আদালতে হাজির করতে প্রোডাশকন ওয়ারেন্ট (পিডব্লুউ) ইস্যুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার পুরান ঢাকার বকশিবাজারে অবস্থিত ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মাহামুদুল কবীর এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে বিচারক আগামী ১১ অক্টোবর মামলাটিতে চার্জগঠনের অবশিষ্ট শুনানির দিন ধার্য করেন।

এর আগে সোমবার মামলাটিতে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের পক্ষে চার্জ শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলাটির প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় কারাগারে আছেন জানিয়ে তার উপস্থিতির সময় সময় আবেদন করা হয়। ওই সময় দুদকের প্রসিকিউটর মোশারফ হোসেন কাজল এ বিষয়ে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আদালতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক মামলার আগামী ধার্য্য তারিখ থেকে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে প্রডাশকন ওয়ারেন্ট (পিডব্লিউ) ইস্যুর আদেশ দেন।

নাইকো মামলাটিতে তারেক রহমানের বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম এবং সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একে এম মোশাররফ হোসেন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া (সিলভার সেলিম), সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ, তখনকার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হকও আসামি।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর হাতে ‘তুলে দেওয়ার’ অভিযোগে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলাটির তদন্তের পর ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটিতে ২০০৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর প্রথম হাইকোর্ট থেকে জামিন পান খালেদা।

২০১৫ সালের ২৯ নভেম্বর একই আদালতে খালেদা জিয়া আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

চার্জশিটের বৈধতা চ্যলেঞ্জ করে খালেদা জিয়া হাইকোর্টে রিীট আবেদন করলে ২০০৮ সালের ৯ জুলাই হাইকোর্ট নি¤œ আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন। ২০১৫ সালের ১৮ জুন হাইকোর্ট রুল ডিচার্জ করে স্থাগিতাদেশ প্রত্যাহার করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




https://www.facebook.com/
Design & Developed BY ThemesBazar.Com