রবিবার, ২৩ Jun ২০১৯, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
জামালপুরে ভিজিএফ’র চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

জামালপুরে ভিজিএফ’র চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধিঃজামালপুর সদর উপজেলার দিকপাইত ইউনিয়নের দুঃস্থ মহিলাদের নামে ঈদুল আজহা’র বরাদ্দের বিজিএফ প্রকল্পের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে। দুঃস্থ্য মহিলাদের নামে ঈদুল আজহা’র বরাদ্দের একটি বড় অংশ চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান দুঃস্থ্য মাতাদের কম দিয়ে কালোবাজারে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শনিবার ইউনিয়নের দায়িত্ব প্রাপ্ত ট্যাগ অফিসারকে কিছু না জানিয়েই চেয়ারম্যান দুঃস্থ্য মাতাদের মাথাপিছু ২০ কেজির স্থলে ১৬ কেজি করে চাল বিতরণ করছেন।
ডুয়াইল গ্রামের ফালানী, মালেকা, জাহানারা ও জরিনা বেগমের চাল পরিষদের মাঠে ওজন করে ১৬ কেজি করে পাওয়া গেছে। তারা জানান, অভিযোগ করলে আগামী মাস থেকে তাদের কার্ড কেটে যাবে। চেয়ারম্যানের সন্ত্রাসী বাহিনী আমাদেরকে মেরে ফেলবে তাই তারা কোন প্রতিবাদ করেন না।
দিঘুলী ঘোড়া মারা গ্রামের আঙ্গুরী বেগম বলেন, স্যার আমার নামটা দিয়েন না চেয়ারম্যানের লোকজন আমাকে মেরে ফেলবে। তারা ১৬ কেজি করে চাল দিচ্ছে। যে মহিলারা চাল পাওয়ার কথা তারা পাননি।
জানা গেছে, এ ইউনিয়নে ভিজিএফ’র সুবিধাভোগি দুঃস্থ্য মহিলার সংখ্যা রয়েছে ২ হাজার জন। এদের মাথাপিছু চাল উত্তোলন করা হয়েছে ২০ কেজি করে। ওজনে পুকুর চুরির বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আপনারা গিয়ে মেপে দেন ২০ কেজি করে। ইউএনও ও ট্যাক অফিসারকে জানান।
চাল বিতরণের সময় ঘটনাস্থলে ট্যাক অফিসারকে পাওয়া যায়নি। চেয়ারম্যানের ক্যাডার বাহিনী চাল বিতরণ করছিল। ফোনে কথা বললে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার বলেন, আমাকে কিছু না জানিয়েই অত্যন্ত গোপনে চেয়ারম্যান চাল বিতরণ করেছেন। তিনি বলেন, শোনেছি ২০ কেজির স্থলে ১৬ কেজি চাল দেওয়া হয়েছে। তাই আমি মাস্টাররোলে স্বাক্ষর করবোনা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগে করলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি দেখবো। কি করা যায়। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নিব।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com