শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ০৫:২৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
ন্যাশনাল সার্ভিসের কর্মীদের চাকরি  জাতীয় করনের দাবীতে বরগুনা জেলায় মানব বন্ধন ও শ্বারকলিপি পেশ। গাজীপুর মহানগরের চান্দরা এলাকা থেকে চোরাই গরু উদ্ধারের ঘটনায় এজাহারভুক্ত আসামী মালেক কসাই ওরফে কসাই মালেক বহাল তবিয়তে মোংলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মীর মো: আবু হানিফের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ২দিন ব্যাপী ১৭তম ইছালে ছওয়াব ও দোয়া মাহফিল এর কাজ সম্পর্ন্ন নবীনগর প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত কমিটির দায়িত্বগ্রহণ  উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সাপাহারে আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন বিশ্ব ভালবাসা দিবসে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের উপচেপড়া ভীড় পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচন স্থগিত আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট প্রতিবাদ মিছিল-বিক্ষোভ সমাবেশ ফুলের রাজধানী যশোর পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ে কৃষিবিদ দিবস পালিত চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন মিল্টন
জামালপুরে ভিজিএফ’র চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

জামালপুরে ভিজিএফ’র চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধিঃজামালপুর সদর উপজেলার দিকপাইত ইউনিয়নের দুঃস্থ মহিলাদের নামে ঈদুল আজহা’র বরাদ্দের বিজিএফ প্রকল্পের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে। দুঃস্থ্য মহিলাদের নামে ঈদুল আজহা’র বরাদ্দের একটি বড় অংশ চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান দুঃস্থ্য মাতাদের কম দিয়ে কালোবাজারে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শনিবার ইউনিয়নের দায়িত্ব প্রাপ্ত ট্যাগ অফিসারকে কিছু না জানিয়েই চেয়ারম্যান দুঃস্থ্য মাতাদের মাথাপিছু ২০ কেজির স্থলে ১৬ কেজি করে চাল বিতরণ করছেন।
ডুয়াইল গ্রামের ফালানী, মালেকা, জাহানারা ও জরিনা বেগমের চাল পরিষদের মাঠে ওজন করে ১৬ কেজি করে পাওয়া গেছে। তারা জানান, অভিযোগ করলে আগামী মাস থেকে তাদের কার্ড কেটে যাবে। চেয়ারম্যানের সন্ত্রাসী বাহিনী আমাদেরকে মেরে ফেলবে তাই তারা কোন প্রতিবাদ করেন না।
দিঘুলী ঘোড়া মারা গ্রামের আঙ্গুরী বেগম বলেন, স্যার আমার নামটা দিয়েন না চেয়ারম্যানের লোকজন আমাকে মেরে ফেলবে। তারা ১৬ কেজি করে চাল দিচ্ছে। যে মহিলারা চাল পাওয়ার কথা তারা পাননি।
জানা গেছে, এ ইউনিয়নে ভিজিএফ’র সুবিধাভোগি দুঃস্থ্য মহিলার সংখ্যা রয়েছে ২ হাজার জন। এদের মাথাপিছু চাল উত্তোলন করা হয়েছে ২০ কেজি করে। ওজনে পুকুর চুরির বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আপনারা গিয়ে মেপে দেন ২০ কেজি করে। ইউএনও ও ট্যাক অফিসারকে জানান।
চাল বিতরণের সময় ঘটনাস্থলে ট্যাক অফিসারকে পাওয়া যায়নি। চেয়ারম্যানের ক্যাডার বাহিনী চাল বিতরণ করছিল। ফোনে কথা বললে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার বলেন, আমাকে কিছু না জানিয়েই অত্যন্ত গোপনে চেয়ারম্যান চাল বিতরণ করেছেন। তিনি বলেন, শোনেছি ২০ কেজির স্থলে ১৬ কেজি চাল দেওয়া হয়েছে। তাই আমি মাস্টাররোলে স্বাক্ষর করবোনা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগে করলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি দেখবো। কি করা যায়। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নিব।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ বোরহান হাওলাদার(জসিম)

Design & Developed BY ThemesBazar.Com