বৃহস্পতিবার, ১৮ Jul ২০১৯, ০৬:৪২ অপরাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
ফরেনসিক বিভাগটি টিকিয়ে রাখার উদ্যোগ নিন

ফরেনসিক বিভাগটি টিকিয়ে রাখার উদ্যোগ নিন

আমাদের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে সর্বস্তরের মানুষের কম-বেশি নানা অভিযোগ রয়েছে। একটি মেডিকেল কলেজ মানে শুধু রোগীদের চিকিৎসা করা নয় বরং এর পাশাপাশি চিকিৎসা পেশায় যুক্ত হতে চান এমন শিক্ষার্থীদের পাঠদান এবং অপঘাতে মৃত ব্যক্তির পোস্টমর্টেম ও নানাভাবে আক্রান্তদের পরীক্ষার কাজও চালাতে হয়। এসব অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আমরা সাধারণরা খুব কমই জানি। তবে এ ক্ষেত্রেও নানা সীমাবদ্ধতা যে রয়েছে এটি অনস্বীকার্য। ৮ আগস্ট দৈনিক মানবকণ্ঠে প্রকাশিত একটি সংবাদে নানা সমস্যা-সংকটে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগ বন্ধ হওয়ার উপক্রম- এমন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এটি উদ্বেগজনক। কারণ এর সঙ্গে সঠিক তথ্যের অভাবে ভিকটিমের ন্যায় বিচার পাওয়ার পথে ঝুঁকি সৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে।
ফরেনসিক বিভাগ মূলত দুটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে কলেজে ছাত্রছাত্রীদের পড়ানো বিষয়টি সম্পন্ন হয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ হলো পোস্টমর্টেম, ভিকটিম পরীক্ষাসহ এ সংক্রান্ত কাজগুলো সম্পন্ন হয়ে থাকে। তবে দুঃখের বিষয়, শিক্ষার্থীদের পাঠদানের বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু বরাদ্দ থাকলেও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে জরুরি এবং স্পর্শকাতর কার্য সম্পাদনে সরকারের কোনো বরাদ্দ নেই। ফলে পোস্টমর্টেম, ভিকটিম পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, মর্গ প্রস্তুত এমনকি ডোমের বেতনের দায়ও কর্মরত চিকিৎসকদের বহন করতে হয়। এতে সংশ্লিষ্টদের ওপর যে মানসিক চাপ পড়ে তাতে যথাযথ দায়িত্ব পালন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা এড়িয়ে যাওয়া যায় না। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাব ছাড়াও এই বিভাগটির বিভাগীয় প্রধানসহ প্রথম ৩টি পদই শূন্য। কর্মরত বাকি ৩ জনের মধ্যে ১ জন সংশ্লিষ্ট বিভাগের চিকিৎসক নন। যে কারণে বিভাগটির কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের পাঠদানে তার কোনো ভূমিকা রাখার সুযোগ নেই। বছরে প্রায় এক হাজারের কাছাকাছি পোস্টমর্টেম ও অর্ধহাজার ভিকটিম পরীক্ষা মাত্র দুইজন চিকিৎসককে করতে হয়। এটি শুধু অমানবিক নয়, অনভিপ্রেতও। পুরো বিষয়টি এক ধরনের হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি করেছে। ফলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার অভাবে বিভাগটি ধরে রাখা কঠিন হবে বলেই মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া লোকবলের অভাবে দায়িত্বরতরা কখনো কখনো প্রয়োজনীয় ছুটিও ভোগ করতে পারেন না। আবার মামলা-মোকদ্দমার কোনো বিষয় থাকলে আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার জন্যও তাদের যেতে হয়। কিন্তু এখানেও তাদের আর্থিক কোনো সুবিধা বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় না। চতুর্মুখী সংকটে পড়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের যে দৈন-দশা তা নিরসনে জরুরি উদ্যোগ নেয়া উচিত।
বর্তমান সরকার জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। আমরা মনে করি, ফরেনসিক বিভাগের মতো একটি অতি প্রয়োজনীয় ও স্পর্শকাতর বিষয়ে অবহেলা, উদাসীনতা প্রদর্শনের সুযোগ নেই। প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ এবং চিকিৎসক নিয়োগ নিয়ে অচিরেই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সমস্যা-সংকটের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। অন্যদিকে কর্মরত চিকিৎসকদের যাবতীয় ঝুঁকি নিরসন, ঈদ বা বিশেষ দিবসে দায়িত্ব পালন ও মামলা-মোকদ্দমায় সাক্ষ্য দেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ বরাদ্দও নিশ্চিত করা জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com