বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৯:০৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীর ৫৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন সরকারের আশ্রয়ে বেপরোয়া মাদক সম্রাট হাজী শাহ আলম

গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীর ৫৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন সরকারের আশ্রয়ে বেপরোয়া মাদক সম্রাট হাজী শাহ আলম

গাজীপুর থেকে ফিরে এস.এম.জুয়েলঃ গাজীপুর মহানগরের ৫৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ গিয়াস উদ্দিন সরকারের আশ্রয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ৫৭ নং ওয়ার্ডের কুখ্যাত মাদক সম্রাট হাজী শাহ আলম । তার হাত থেকে আওয়ামী পরিবারের কোন সদস্যই রেহাই পাচ্ছে না। এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন গত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে যারা গিয়াস উদ্দিন সরকারের বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছে তাদের উপর কাউন্সিলরের লেলিয়ে দেওয়া গুন্ডা বাহিনী দিয়ে চালানো হচ্ছে নির্যাতন। আর এই নির্যাতনের নেতৃত্ব দিচ্ছে মাদক সম্রাট হাজী শাহ আলম গত সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে গিয়াস উদ্দিন সরকারের পক্ষে নির্বাচন না করায় শাহজাহান নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। বর্তমানে শাহজাহান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তার অবস্থা আশংকাজনক। এমন অগনতিক মানুষের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন সরকারের লেলিয়ে দেওয়া গুন্ডা বাহিনী। গত ৮ তারিখে দৈনিক ভোরের ধ্বনি পত্রিকায় হাজী শাহ আলমকে নিয়ে টঙ্গী বাজার এলাকার কুখ্যাত মাদক সম্রাট নামধারী হাজী শাহ আলমের অত্যাচারে অতিষ্ট টঙ্গী বাজার এলাকার সাধারন ব্যবসায়ী ও ওয়ার্ডের নিরীহ সাধারন জনগণ। তার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেনা আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা। বিষয়টির প্রতি গাজীপুর ২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাহিদ আহসান রাসেল এম.পি ও গাজীপুরের পুলিশ সুপারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন উক্ত এলাকার সর্বস্তরের জনগন। খোজ নিয়ে জানা গেছে হাজী শাহ আলম উক্ত ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলরের ছত্রছায়ায় থেকে উক্ত অপকর্ম নির্ভিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছেন। খোজ নিয়ে আরো জানা গেছে গাজীপুর ২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাহিদ আহসান রাসেল এম.পি যখন টঙ্গী মাজার বস্তি এলাকায় মাদক নির্মূল করার জন্য উক্ত ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব দিলে কোন কোন নেতাকর্মী সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করলেও কুখ্যাত মাদক সম্রাট হাজী শাহ আলম মাজার বস্তি এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে শেয়ারে বীরদর্পে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যায়। এলাকাবাসীর সুত্রে আরো জানা গেছে টঙ্গী বাজার এলাকায় যে কয়টা আবাসিক হোটেল চলে প্রত্যেকটি হোটেলে শাহ আলমের নিয়োগকৃত ব্যক্তিরা উক্ত আবাসিক হোটেল গুলোতে বেপরোয়া ভাবে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে টঙ্গী বাজারের জৈনিক ফুটপাতের ব্যবসায়ী এই প্রতিনিধিকে জানান আমরা জন্মের পর থেকে আওয়ামী পরিবারের সাথে জড়িত, যখন নির্বাচন আসে তখন আমরা নৌকা মার্কার পক্ষে ভোট চেয়ে এলাকায় প্রচার প্রচারনা চালান। অথচ এই কুখ্যাত মাদক সম্রাট হাজী শাহ আলম আমাদের টঙ্গী বাজার থেকে বিতাড়িত করে বি.এন.পি জামাতের লোক জনের ব্যবসা করার সুযোগ দিয়েছেন। আমাদের কোন ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ করলে তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। উক্ত অভিযোগগুলো ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে জানালে কাউন্সিলর কোন রকম আমাদের কথায় কর্ণপাত করে নাই। আরো আমাদের উপর তাদের লোকজন বিভিন্ন রকম হুমকি ধামকি প্রদান করে তাড়িয়ে দেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ৫৭ নং ওয়ার্ডের এক ব্যক্তি জানান আমরা গত নির্বাচনে গিয়াস উদ্দিন সরকারের বিরুদ্ধে নির্বাচন করায় কুখ্যাত মাদক সম্রাট আমাদেরকে বিভিন্ন রকম হুমকি ধামকি প্রদান করছে বিধায় আমরা ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগন হাজী শাহ আলমের আতংকে বসবাস করছি। এই বিষয়ে ১টি সংবাদ প্রকাশ হলে এলাকাবাসী পত্রিকার পরিবারকে সাধুবাদ জানান। এদিকে এক ব্যক্তি এই সাংবাদিককে জানান হাজী শাহ আলম একজন বেকার মানুষ। টঙ্গি বাজারে তার কোন ব্যবসা নাই অথচ সে টঙ্গি মাজার বস্তি এলাকায় মাদক ব্যবসা করে কামারপাড়া এলাকায় প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের জমি ক্রয় করেছেন। সে এত টাকা কোথায় পেল…? এই প্রশ্ন এখন টঙ্গি তথা ৫৭ নং ওয়ার্ড বাসীর। ( চোখ রাখুন পরবর্তী সংখ্যায় )

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Design & Developed BY ThemesBazar.Com