,
সংবাদ শিরোনাম :

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা ও বঙ্গবন্ধু হলের অফিস কক্ষ তালাবদ্ধ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃটাঙ্গাইলের সন্তোষস্থ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার অফিস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের অফিস কক্ষ চার দিন যাবত তালাবদ্ধ করে রেখেছে শিক্ষার্থীরা।
গত রোববার(১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলামের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল গেটের জন্য নিরাপত্তা প্রহরী দাবি করে শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষার্থীদের সাথে মো. রবিউল ইসলামের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তা শাখার অফিস কক্ষ তালাবদ্ধ করে। অপরদিকে একই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ঈমামকে দুই বছর যাবত বেতন না দেয়ার জন্য হলের অফিস কক্ষগুলো তালাবদ্ধ করে দেয় শিক্ষার্থীরা।
সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি, নিরাপত্তা সংকটের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রায়শই বহিরাগত হামলার শিকার হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরা ইভটিজিং এর শিকার হয়, চুরির ঘটনা ঘটে, মাদক সেবীরা এবং মাদক ব্যবসায়ীরা মাদকের সেবন ও বিক্রির অভয়ারণ্য হিসেবে ক্যাম্পাসকে ব্যবহার করে। ফলে শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে। শিক্ষার্থীরা মনে করেন, বঙ্গবন্ধু হলের ঈমামকে দুই বছর যাবত বেতন না দেয়া নৈতিকতা পরিপন্থী- যা ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত হানার শামিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, প্রায় ৫৭ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫টি গেট, ৩টি একাডেমিক ভবন, ৫টি হল, প্রসাশনিক ভবন, ভিসির বাসভবন, অতিথি ভবন, ক্যাফেটেরিয়া, শিক্ষক-কর্মকর্তা ডরমেটরী এবং ৩য়-৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী ডরমেটরী রয়েছে। এ জন্য কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রহরী রয়েছে মাত্র ৩০ জন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে রয়েছে ভাসানীর মাজার, ৫টি পাবলিক রাস্তা, ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২টি উচ্চ বিদ্যালয়, একটি কলেজ, একটি কেজি স্কুল, একটি হেফজ খানা এবং একটি স্থানীয় মন্দির।
রবিউল বলেন, ৮ ঘণ্টার রুটিন ডিউটিতে ৬ জন নিরাপত্তা প্রহরীকে ওভার টাইম করালেও বিভিন্ন জায়গা থেকে যায় নিরাপত্তা প্রহরী শূন্য। আমি বার বার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেছি এবং নিরাপত্তা কর্মীর চাহিদাও দিয়েছি। কিন্তু সমাধান পাইনি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব তালুকদার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা আমাদের কাছে অভিযোগ জানিয়ে সহযোগিতা চেয়েছে। আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানিয়েছি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন পর্যন্ত কোন সমাধানে আসতে পারেনি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কোন কর্মকর্তা মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

[related_post themes="flat" id="3585"]

সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃবোরহান,হাওলাদার(জসিম)

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক,সনজিত সাহা,মোবাইল০১৯১২৩৩৮৮৩৪,ইমেইল:

Newsbhorerdhani@gmail.com

বার্তা ও বাণিজ্যিক.কার্যালয় : ২৬২/ক.বাগীচাবাড়ী(৩য়া)ফকিরাপুল.মতিঝিলওসম্পাদক/কর্তৃকতুহিনপ্রিন্টিংপ্রেস ফকিরাপুলমতিঝিল,ঢাকা১০০০।