শুক্রবার, ১৭ অগাস্ট ২০১৮, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন

রাজধানী ঢাকার মিরপুরের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাবনার ঈশ্বরদীতে বেনারসি পল্লী

রাজধানী ঢাকার মিরপুরের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাবনার ঈশ্বরদীতে বেনারসি পল্লী

রাজধানী ঢাকার মিরপুরের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাবনার ঈশ্বরদীতে বেনারসি পল্লী

মামুনুর রহমান, পাবনা: শেষ মূহুতে ঈদের  অর্ডারের শাড়ি-কাপড় তৈরীতে মহাব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ঈশ্বরদীর ঐতিহ্যবাহী বেনারসি কাতান শাড়িতে এবারের বিশেষ আকর্ষণ জাবেদ কাতান বেনারসি” আগে ঈশ্বরদীর তাঁতিরা তৈরি করতেন বেনারসি কাতান শাড়িএখন সেই শাড়িতে পুথি, পাথর, রেশম, জড়ির মনকারা নশা যোগ হওয়ায় এসব শাড়ির চাহিদা বেড়ে গেছে দ্বিগুন। তাঁতিরা জানান, এবারের ঈদে তারা ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ি পর্যাপ্ত শাড়ি-কাপড় তৈরিকরতে হিমশিম খাচ্ছেন। কারণ একটাই বেনারসি কাতানের পাশাপাশি জরজেট, টিস্যু ও টাঙ্গাইল সুতি শাড়িতে তাদের হাতে তৈরি কারচুপির অাকর্ষণীয় নকশার কাজ রয়েছে ঈশ্বরদী শহরের ফতেমোহাম্মপুরে অবস্থিত বেনারসি পল্লীর নিয়মিত তাঁতিদের পাশাপাশি বিভিন্ন বাসা বাড়িতে পাচ শতাধিক নারী ও পুরুষ এসব শাড়তে ডায়মন্ড পাথরচুমকি দিয়ে তৈরী করছেন বিভিন্ন ডিজাইনেরশাড়ি, থ্রীপিচ প্রতিদিনই এসব শাড়ি ও থ্রীপিচরাজধানী ঢাকা এবং উত্তরাঞ্চলের বিভিন্নজেলার ব্যবসায়িরা কিনে নিয়ে যাচ্ছে শাড়িরমধ্যে স্থানিয় ভাবে সবচেয়ে বেশি ক্রেতাদেরকাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে কারচুপির জাবেদকাতান এছাড়া কারচুপির আঁচল পাড়, ফুলবডি, মেচিং জর্জেট, পাটি কাতান, ওপারাকাতান, জাবেদ ডায়মন্ড, টিস্যু ডায়মন্ড,  রেশমকাতান, রেশম জামদানী, পিয়র সিল্ক, বেনারসিকাতান, লেহেঙ্গা, থ্রীপিচ এবারের ঈদে নারীদের কাছে ভিষণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ব্যবসায়ি সোহেল জানান, এসব শাড়ির এবারপ্রচুর চাহিদা রয়েছে কিন্তু তারা পর্যাপ্ত শাড়িতৈরি করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। ঈশ্বরদীরতৈরির কাতান, বেনারসি ও জর্জেট শাড়িপাইকারি বিক্রি হচ্ছে সর্ব্বোচ্চ সাড়ে পাঁচ হাজারটাকায়। এসব শাড়ি বিভিন্ন দোকানে খুচরা বিক্রিহচ্ছে আট থেকে দশ হাজার টাকায়। এছাড়াসুতি ও টিস্যুর উপর নকশার কাজ করা শাড়িসর্ব্বোচ্চ পাইকরি মূল্য প্রতিটি আট’শ থেকে১৫’শ টাকার মধ্যে রয়েছে। এগুলো খুচরাবাজারের বিভিন্ন শোরুমে ১৬শ থেকে দুই হাজারটাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তাঁতিরা জানান, উপযুক্ত পৃষ্ট পোষকতা পেলে ঈশ্বরদীর তৈরিশাড়ি দেশের ব্যাপক চাহিদা মেটাতে পারবেন।ঈশ্বরদী বেনারসি পল্লীর শ্রমিকেরা জানান, বড়দের পাশাপাশি স্কুল-কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েরাও এখন বেনারসি শাড়ির বিভিন্ন কাজেব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তারা শাড়ির শ্রমিকদেরসহযোগি হিসেবে কাজ করছেন। বেনারসি পল্লী এলাকায় শ্রমিকদের চোখে ঘুম নেই দিন রাত চলছে ডায়মন্ড, কারচুপি, পুথি, চুমকি, জড়ি ওরেশম দিয়ে শাড়ি তৈরির কাজ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




https://www.facebook.com/
Design & Developed BY ThemesBazar.Com