মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন

পুনরায় প্রাণ নাশের হুমকির মুখে বাড়ি ছাড়া সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য সনজিত সাহা ও তার সন্তান অমিত সাহা।

পুনরায় প্রাণ নাশের হুমকির মুখে বাড়ি ছাড়া সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য সনজিত সাহা ও তার সন্তান অমিত সাহা।

অফিস ডেক্স– গত ১১.০৬.২০১৮ইং তারিখ বগুড়া জেলার শারিয়াকান্দি থানাধীন কুটিবাড়ি গ্রামের সনজিত সাহা ও তাহার পূত্র অমিত সাহা বাড়ি হইতে সন্ধা ৭.০০ হতে নিখোঁজ রয়েছেন। সূত্র তথ্য মতে জানান- শেরপুর থানাধীন ধর্মকাম  গ্রামের অহেদুল এর সাথে সনজিত সাহার পারস্পারিক বন্ধুত্বের প্রেক্ষিতে দুই জন মিলে ব্যবসার প্রসার বিস্তারের জন্য যৌথভাবে একটি ট্রক ক্রয় করে যার নং- ঢাকা মেট্রো-ট-২২-০৮৭০ গাড়িটির মূল্য আনুমানিক ৩২,২৬০০০/- (বত্রিশ লক্ষ,ছাবি¦শ হাজার) টাকা, কিছু দিন অতিবাহিত হওয়ার পর  অহেদুল জোর পূর্বকভাবে সনজিৎ এর নিকট হতে উক্ত ট্রাকটির কাগজপত্র রেখে দেয়, পরবর্তীতে দেখা সনজিত কে না জানিয়ে ট্রাকটি ওয়াহেদুল আব্দুল মালেক নামের এক ব্যক্তির কাছে ১৩,০০,০০০/-  (তের লক্ষ) টাকা অগ্রিম নেয় জানতে পারে সনজিত সাহা, জেনে অহেদুল এর কাছে ট্রাক ও কাগজ পত্র ফেরত চাইলে অহেদুল তাকে কিছু টাকা সাধে, সনজিৎ এতে রাজি না হলে অহেদুল তার কতিপয় সন্ত্রাসী নিয়ে সনজিত কে প্রাণ নাশের হুমকি দেয় এতে সনজিৎ কোন কুলকিনারা না পেয়ে শেরপুর থানায় অভিযোগ দাখিল করিলে সূরাহা না পেয়ে উল্টো টাকা গচ্ছা দেয়। তার প্রেক্ষিতে পুনরায় ০৬.০৬.২০১৮ইং সারিয়া কান্দি থানায় সাধারন ডায়রী করেন নং- ২১০, সনজিৎ কিছুটা থানা কর্তৃপক্ষের নির্ভর করে জীবন যাপন শুরু করলেও হঠাৎ ১০.০৬.২০১৮ইং তারিখ ভোর চারটায় সনিজিৎকে চন্দন চক্রবর্তী অহেদুল ইসলাম, শ্রীবিকাশ সাহা, সেলিম, তাহেরুল, শফি, তপন ঘোষ, শহিদুল ইসলাম, স্বপন, কফিল, মালেক, সায়েদুজ্জামান, সনজিত কে কিডনাফ করার প্ল্যান নিলে গোপন সূত্রে তার পরিবার পরিজন জানতে পেরে তাকে আটকীয়ে রাখে, পরবর্তীতে সনজিত তাদের উপর ভরসা করতে না পেরে অন্য গেটদিয়ে বাসা হতে বের হয় , পরবর্তীতে উক্ত সন্ত্রাসী গ্রুপ তাদের প্ল্যান মাফিক কিডনাফ করতে আসলে তাকে না পেয়ে তার ৮ বছরের সন্তান অমিতকে আটকিয়ে রেখে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে। পরবর্তীতে সনজিত জানতে পেরে শারিয়াকান্দি থানায় অফিসার্স ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম এর সাথে মোবাইলে কথা বলে থানা সোর্স গিরেন মেম্বারকে সাথে নিয়ে গিয়ে নগদ অর্থের বিনিময়ে সন্তানকে মুক্ত করেন। কিছুক্ষন পর গিরেন মেম্বার উল্টো তাকে মাদক দিয়ে থানায় চালান দিবে বলে হুমকি প্রদান করেন, এ থেকে বাচার জন্য তাকে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা দেয় সনজিত, পরিবর্তীতে ১১.০৬.২০১৮ইং সন্ধ্যার পর সনজিত ও তার বড় ছেলে অমিত সহ গ্রাম হতে নিঁখোজ হন। সূত্র প্রতিবেদককে জানান- সনজিত সর্বশেষ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালীয়ন  যথাক্রমে র‌্যাব-১২ তে এসে  অভিযোগ পত্র জমা দিয়ে বের হয়ে আসেন। তার পর আর সনজিত ও তার ছেলে অমিত বাড়ি ফিরে নি !

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Design & Developed BY ThemesBazar.Com