শুক্রবার, ১৭ অগাস্ট ২০১৮, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন

শেরপুর থানায় হাজির হয়েও আইনের সাহায্য পাচ্ছেন না বগুড়ার সংখ্যালঘু পরিবারের সনজিত কুমার সাহা! ভিডিও

শেরপুর থানায় হাজির হয়েও আইনের সাহায্য পাচ্ছেন না বগুড়ার সংখ্যালঘু পরিবারের সনজিত কুমার সাহা! ভিডিও

স্টাফ রিপোর্টারঃ স্থানীয় ভাবে জানা যায় যে, কুঠিবাড়ী ডাকঘর-সরিষাকান্দি, বগুড়া আমি এবং আমার পার্টনার ওয়াহেদুলকে নিয়া পার্টনারশীপ ক্ষুদ্র ব্যবসা ৪ বছর যাবত সুনামের সাথে পরিচালনার করিয়া আসিতেছিলাম। ব্যবসার সুফল দেখিয়া আমার পার্টনার ওয়াহেদুল তাহার অবৈধ ইচ্ছা হাসিল করার কু-মতলবে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র মাধ্যমে আমাকে হেয় করিয়া মন মনিসে ব্যবসাটি নিজ নিয়ন্ত্রণের নেওয়ার একক ভাবে নেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্র করিতে থাকেন। সেই ষড়যন্ত্র মধ্যে দিয়া সু পরিকল্পিতভাবে বগুড়ার সংখ্যালঘু পরিবারের সনজিত কুমার সাহা কে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীর মাধ্যমে হত্যা করার জন্য সন্ত্রাসীরা সনজিত কুমার সাহা-কে খুঁজিয়া বেড়াইতেছেন। তাহাকে হত্যা করিতে পারিলে তাহার ব্যবসায়ীক পার্টনার ওয়াহেদুলের উদ্দেশ্যে সফল হইবে। আইন ও থানা নিজের হাতে নিয়া সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকার লেনদেনের মাধ্যমে সনজিত কুমার সাহার জীবন অবসান ঘটানোর পায়তারা করিয়া বেড়াইতেছেন। বিষয়টি সনজিত কুমার সাহা টের পাইলে তাহার জীবন বাঁচানোর তাগিদে শেরপুর থানা পুলিশের কাছে হাজির হইয়া অভিযোগ প্রদান করিলে অভিযোগ টি গ্রহণ না করিয়া উল্টো সনজিত কুমার সাহাকে থানার মধ্যে ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং তাহার নামে মিথা মামলা দিবে তদন্ত ওসি বুলবুল ও ভারপাপ্ত কর্মকর্তা বিবাদীগণের কথা না শুনিলে তোর নামে মামলা দিয়ে জেল হাজতে বিষয় টি সাংবাদিক ও বিভিন্ন সোর্স লাগিয়ে দিব। তথ্য জানা যায় যে, সনজিত কুমার সাহা বিবাদী পক্ষ গণ ব্যবসায়ীক পার্টনার ওয়াহেদুল এবং সনজিত কুমার সাহা সাবেক ব্যবসায়ীক পার্টনারের যোগসাজসে এই বগুড়ার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সংখ্যালঘু সনজিত কুমার সাহাকে থানা পুলিশকে মোটা অংকে টাকার মধ্যে বিভিন্ন মামলায় ফাঁসানোর এক গভীর ষড়যন্ত্র করিতেছে। এমনকি বিবাদী ওয়াহেদুল, হাজী সেলিম, বিকাশ, সফি তাহাকে জোর জবরদস্তি মূলক অপহরণ করিয়া নিয়া হত্যা করিবে। এক পর্যায়ে গত ৩১ মে, ২০১৮ইং তারিখ বিকাল ৩ ঘটিকার সময় ওয়াহেদুল, হাজী সেরিম, বিকাশ ও সফি তাহাকে ধরিয়া অটোরিক্সার মধ্যে তুলিয়া নেওয়ার জন্য দস্তদস্তি করিলে বাদী আবার নিজ প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে তাহাদের হাত হইতে কোন রকম দৌড়ে পালিয়ে যাইয়া কোন রকম জীবন রক্ষা করে। উপরোক্ত বিষয়ে বিভিন্ন জাতীয়, দৈনিক ও অনলাইন পত্রিকায় প্রচার ও প্রকাশিত হয়। ৮ই মে, ২০১৮ইং তারিখ ঢাকা থেকে দৈনিক ভোরের ধ্বনি পত্রিকায় প্রথম পাতায় শেরপুরের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সনজিত কুমার সাহা সন্ত্রাসীদের ভয়ে জীবন বাঁচাতে ঘর-বাড়ী ছেড়ে পালিযে বেড়াচ্ছে খবরটি প্রকাশিত হয়।

ভূক্তভোগী পরিবারটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, আইজিপি বাংলাদেশ পিপিএম, ডিসি মহোদয় বগুড়া জেলা, বগুড়া এস,পি মহোদয় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেরপুর থানার দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রয়োজন সুূত্রে আরো জানা যায় শেরপুর জেলা সনজিত কুমার সাহার পার্টনারের নিকট হইতে মাথা পিছু লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে ভয়ভীতি এবং হয়রানী করিতেছন বলে জানা যায়। এস,পি সাথে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, শেরপুর থানার তদন্ত, ওসি বুলবুল বিবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করিয়া এবং বিবাদীগণের নিকট হইতে বিপুল পরিমাণ টাকা পাইয়া ,সভ্য ভদ্র শান্তিপ্রিয় সংখ্যালঘু পরিবারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সনজিত কুমার সাহাকে বিভিন্ন মামলায় আসামী করা হইবে বলিয়া জানান। উক্ত বিষয়ে শেরপুর জেলা এস,পি বরাবরে হাজির হইয়া সনজিত কুমার সাহা একটি অভিযোগ করেন গত ১০/০৫/২০১৮ইং। বাদী একজন ,সভ্য ভদ্র,, শান্তিপ্রিয় লোক এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ব্যক্তি। পক্ষান্তরে বিবাদীগণ ব্যবসায়ীক পার্টনার বটে ব্যবসা এবং টাকা পয়সা আত্মসাৎ করিবার কু-মতলবে সনজিত কুমার সাহার ব্যবসায়ীক পার্টনার এবং সাবেক পার্টনাররা যোগসাজসে গভীর ষড়যন্ত্রে এবং সুপরিকল্পিতভাবে সনজিত কুমার সাহাকে সরিয়ে দেওয়া অথবা তাহার দুই ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে যে কোন উপায়ে অপহরণ হত্যা করে সনজিত কুমার সাহা ব্যবসা ও সম্পদ আত্মসাৎ করে তাহাদের মূল উদ্দেশ্যে। উপরোক্ত বিষয়ে সনজিত কুমার সাহা সারিয়াকান্দি থানায় হাজির হইয়া একটি জি.ডি করেন। জি.ডি নং-২১০, তারিখঃ ০৬/০৬/২০১৮ইং। বাদীর সারিয়াকান্দি বাজারে মেসার্স অমিত এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ব্যবসা আছে। পাশাপাশি প্রায় ৪ বছর ধরিয়া বগুড়া জেলায় শেরপুর থানাধীন সেরুয়া বটতলাতে মেসার্স শেরপুর ভান্ডার নামক প্রতিষ্ঠান আছে বিবাদী। ১। চন্দন চক্রবর্তী (৪৫), পিতা-মৃত শ্যামা চক্রবতী, সাং-সারিয়াকান্দি ২। মোঃ তাহেরুল ইসলাম (৩০), পিতা-অজ্ঞাস, সাং-ফুলতলা, থানা-শেরপুর, জেলা-বগুড়া ৩। হাজী সেলিম খান (৫০), পিতা-অজ্ঞাত ৪। শ্রী বিকাশ কুমার সাহা (৪০), পিতা-জসদীস চন্দ্র সাহা ৫। শফি (৩০), পিতা-অজ্ঞাত ৬। তপন ঘোষ ৯৪৫), পিতা-অজ্ঞাত ৩ থেকে ৬ নং বিবাদীগণ শেরপুর থানা খাদ্য শস্য সমিতির সদস্য ৭। মোঃ শহিদুল ইসলাম (৬০), পিতা-অজ্ঞাত ৮। মোঃ শফিকুল ইসলাম স্বপন (৩০), পিতা-মৃত আবু বক্কর সিদ্দিক ৯। মোঃ কফিল (৩০), পিতা-অজ্ঞাত, সাং-সেরুয়া, বটতলা ১০। মোঃ অহেদুল ইসলাম (৩০), পিতা-অজ্ঞাত, সাং-ধর্মকাশ ১১। মোঃ আঃ মালেক (৬৫), পিতা-অজ্ঞাত, অনামিকা অটো বিতান, ধুনট মোড়, ১২। সায়েদুজ্জামান (৫০), পিতা-অজ্ঞাত, সাং-দহপাড়া, শেরপুর থানা, শস্য আড়ৎ সমিতির সদস্য সর্ব থানা-শেরপুর জেলা-বগুড়াগণ ব্যবসায়ী লেনদেন-কে কেন্দ্র করিয়া বিবাদীদের সহিত বাদীর বিরোধ সৃষ্টি হয়। বর্তমানে বাদী সারিয়াকান্দি থানা এলাকায় বসবাস করেন। বিবাদীগণ গত ২০/০৫/২০১৮ইং সকাল আনুমানিক ১১.০০ ঘটিকার সময় বাদীর বাড়ীতে আসিয়া বাদীকে না পাইয়া বাদীর স্ত্রী সহ তাহার পরিবারের লোকজনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বিবাদীগণ এই বলিয়া হুমকি ধামকি দিয়া যায় যে, পালাবে কোথায় শেরপুর আসিলে বাদীকে জীবনে শেষ করিয়া দিবে বলিয়া বিবাদীগণ জানান।

 

আইজিপির দৃষ্টি আকর্ষণ থানা অভিযোগ করতে গিয়ে উল্টো হয়রানীর স্বীকার হলেন শেরপুরের বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী সনজিত সাহা।

Posted by Somoyer Kontha on Wednesday, 6 June 2018

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




https://www.facebook.com/
Design & Developed BY ThemesBazar.Com