শুক্রবার, ১৭ মে ২০১৯, ১০:২৯ অপরাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কমল বেরোবির আবাসিক হল বন্ধের পরিধি

শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কমল বেরোবির আবাসিক হল বন্ধের পরিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে আবাসিক হলগুলো আরও ৬ দিন খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে, আগামী ১৩ জুন সকাল পর্যন্ত হলে অবস্থান করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট (চলতি দায়িত্ব) তাবিউর রহমান প্রধান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, গত ৬ জুন তিন হলের নোটিশ বোর্ডে হল বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেয় সংশ্লিষ্ট হল প্রশাসন। ৬ জুন বুধবারের ওই নোটিশে ৭ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় প্রশাসন। এর প্রতিবাদে বুধবার মধ্য রাতে তিন হলে আলোচনায় বসে আবাসিক শিক্ষার্থীরা। এতে ছাত্রলীগ নেতা মামুন, পার্থ, মাইনুল, মারুফ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে শুভ, তপন, সাইফুল, দেবাশিষ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভায় হল না ছাড়ার পক্ষে একমত হয় শিক্ষার্থীরা।
পরে সভা থেকেই সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্ট ও উপাচার্যকে ফোন দিয়ে বিষয়টি অবগত করা হয়। এছাড়া, হল খোলা রাখতে প্রভোস্টদের কাছে লিখিত আবেদন করে শিক্ষার্থীরা। ওই আবেদনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রায় ৮০ জন শিক্ষার্থী স্বাক্ষর করে। বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে আগামী ১৩ জুন পর্যন্ত হল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া বলেন, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এতো আগে হল বন্ধ হয় না। ঈদের ১০ দিন আগে হল বন্ধ হলে অনেক শিক্ষার্থীকে বিপাকে পড়তে হবে। অনেকেই টিউশনি নির্ভর, আবার অন্যান্য ধর্মের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী হলে থাকে, যারা ঈদে বাড়ি নাও যেতে পারে। এমতাবস্থায় হল বন্ধ হলে তাদের থাকতে অসুবিধা হবে। আর একারণে শিক্ষার্থীরা হল বন্ধ না রাখার জন্য আবেদন করে।
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী দেবাশিষ জানান, তার বাড়ি সাতক্ষিরায়। তার পক্ষে বাড়িতে যাওয়া কঠিন। তাই তাকে হলেই থাকতে হবে। এমতাবস্থায় হল বন্ধের ঘোষণায় শঙ্কিত তিনি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট তাবিউর রহমান প্রধান বলেন, বেশিদিন হল বন্ধ থাকলে শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়বে। তাদের দাবি যৌক্তিক ছিল। তাই হল বন্ধের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে ১৪ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত মাত্র ৭ দিন হল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি উপলক্ষে গত ১লা জুন থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আগামী ২৪ জুন থেকে যথারীতি শুরু হবে এবং ৩০ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ১লা জুলাই থেকে যথারীতি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com