শুক্রবার, ১৭ মে ২০১৯, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

Translator
Translate & English
সংবাদ শিরোনাম
স্মরনে নবাবসিরাজউদ্দৌলা। হলো না সব বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাবি ব্যাপার স্যাপার। প্রধানমন্ত্রী:-সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মোংলা পায়রা বন্দরসহ ৯ জেলায় । নগরীতে আমিনুল হকের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শ্রমেরমর্যাদা, ন্যায্যমজুরি, ট্রেডইউনিয়নঅধিকারওজীবনেরনিরাপত্তারআন্দোলনশক্তিশালীকরারদাবিনিয়েআশুলিয়ায়মেদিবসপালন । সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়  প্রভাবশালী  মাদকব্যবসায়ী । জেলা খুলনার দাকোপে ব্রোথেলের নারীজাগরনী সংঘের সভানেত্রী রাজিয়া বেগম হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষলক্ষ টাকা। ঘু‌র্ণিঝড় ফ‌নি আঘাত আনতে পা‌রে ৪ মে, য‌দি বাংলা‌দে‌শে আঘাত হা‌নে ত‌বে্রে আক‌টি সিডর হ‌তে পা‌রে বাংলা‌দে‌শে।  গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ট্যুরিজম আয়োজন করলো সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার ।
আইজিপির দৃষ্টি আকর্ষণ থানা অভিযোগ করতে গিয়ে উল্টো হয়রানীর স্বীকার হলেন শেরপুরের বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী সনজিত সাহা।

আইজিপির দৃষ্টি আকর্ষণ থানা অভিযোগ করতে গিয়ে উল্টো হয়রানীর স্বীকার হলেন শেরপুরের বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী সনজিত সাহা।

স্টাফ রিপোটারঃ বগুড়া শেরপুরের বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী সন্ত্রাসীদের ভয়ে জীবন বাঁচাতে স্থানীয় থানায় অভিযোগ করতে গেলে উল্টো হয়রানী স্বীকার হওয়ার অভিযোগ করলেন ভূক্তভোগী সনজিত সাহা ঘটনার সূত্রে জানা যায়। সনজিৎ সাহা ও ওয়াহেদুল এরা একে অপরের বন্ধ হবার সুবাদে দীর্ঘ ৪ বৎসর যাবতৎ একত্রে চাতালের ব্যবসা করে আসছিল। কিন্তু ব্যবসা শুরু করার আগে বিবাদী ওয়াহেদুল সে একটি ব্ল্যাইন চেক দেয় সনজিত সাহাকে তার পর থেকেই চলতে থাকে তাদের ব্যবসা। ইতিমধ্যেই তার উভয়ের সম্মিলিত যৌথ স্বাক্ষরে একটি বগুড়া শাখা থেকে টাটা কোম্পানীর অসোক লিলেন নামের একটি ট্রাক ক্রয় করেন। যার মূল্য ৩৫,২৫,০০০/-টাকা , গাড়ী নং-ঢাকা-মেট্রো-ট-২২-০৮৭১। কিছু দিন অতিবাহিত হতে না হতেই সু-চতুর ওয়াহেদুল ইসলাম তার পাটনার সনজিত সাহাকে না জানিয়ে উক্ত ট্রাকটি অন্যত্র বিক্রি করে ফেলেন। বিষয়টি সনজিত সাহা জানতে পারিলে তার পাটনার ওয়াহেদুল ইসলামকে সনজিত সাহা জিজ্ঞাসা করেন যে তুমি আমাকে না জানিয়ে ট্রাকটির পাটনারশীপ কেন বিক্রয় করিলেন। উত্তরে ওয়াহেদুল বলেন আমার টাকার প্রয়োজন হয়েছে তাই, আমি ট্রাকটি বিক্রি করে দিয়েছি। এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে ওয়াহেদুল ইসলাম তার পাটনার সনজিৎ সাহাকে নানা ভয়ভীতি দেখায় ও তাকে প্রাণে মারিয়া ফেলিবার হুমকী দেয়। উপায়ন্তর না পেয়ে, সনজিত সাহা স্থানীয় শেরপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তার মোঃ বুলবুল এর নিকট অভিযোগ পত্র দায়ের করিলে তদন্তকারী কর্মকর্তা বুলবুল সনজিত সাহাকে বলেন আমি অহেদুলকে থানায় ডেকে তোমাদের বিষয়টি সমাধান করে দেব। সে জন্য আমাকে তুমি কত টাকা দিবা। এক পর্যায়ে সনজিত সাহা নগদ ৫০,০০০/-টাকা তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ বুলবুলকে দেয়। কিন্তু কাজ তো দূরের কথা এবং থানা থেকে বিভিন্ন হয়রানীর স্বীকার হচ্ছেন ভূক্তভোগী সনজিত সাহা, অনুসন্ধানে আরও জানা যায় যে, অহেদুল ইসলাম যে তার বিভিন্ন ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে সনজিত সাহাকে মেরে ফেলার জন্য তন্য হয়ে খুজচ্ছে তাই নিজের প্রাণ হারানোর ভয়ে সনজিত সাহা ও তার পরিবার আত্মগোপন করে পালিয়ে পালিযে দিন কাটাচ্ছেন এই অসহায় পরিবারটি বিধায় আইজিপি মহোদয়ের সু-হস্তক্ষেপ অতি জরুরী বলে মন্তব্য করলেন ভূক্তভোগী ও তার পরিবার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




Translate & English
Design & Developed BY ThemesBazar.Com